শেখ হাসিনাসহ স্বৈরাচারী সরকারের দোসরদের ২ মাসের মধ্যে সংক্ষিপ্ত বিচার করতে হবে।
তাছাড়া ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত শহিদদের নামে স্মৃতিফলক ও আহতদের সুচিকিৎসা এবং তালিকা করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারে তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে হবে। সব ধরনের বৈষম্য বিলোপকারী একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে গণভোটের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ভিন্নমত পোষণকারী সব নাগরিকের জব্দকৃত পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেওয়া এবং সব ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট বাতিল করতে হবে। তাছাড়া বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে ড. ইউনূসকে তার স্থলাভিষিক্ত করতে হবে।
বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে লন্ডনভিত্তিক গ্লোবাল বাংলাদেশি অ্যালায়েন্স ফর হিউম্যান রাইটস (জিবিএএইচআর) আয়োজিত উই ওয়ান্ট জাস্টিস শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমান। শফিক রেহমান বলেন, দেশের সবাই জানে ছাত্র-জনতার হত্যাকারী কে? আমরা জানি শেখ হাসিনা ও তার দোসররা। এখানে বাদী পক্ষ বা আসামি পক্ষ, উকিলদের বক্তব্য শোনার সময় নেই। আবু সাঈদের বাবা বা অন্য ভুক্তভোগী সাক্ষীরা সাক্ষ্য দেবেন। সঙ্গে সঙ্গে রায় দিতে হবে। এক মুহূর্তে ছাত্র-জনতার হত্যার বিচার করতে হবে। দুই মাসের ভেতরে সংক্ষিপ্ত বিচার শেষ করতে হবে। এটা না করলে শেখ হাসিনা আবার বাংলাদেশে আসবেন, আবার অভিনয় নাটক করে কাঁদবেন। এ নাটক আর জনগণ দেখতে চায় না। সময় নষ্ট করা যাবে না। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তৃতা করেন লন্ডনভিত্তিক সাপ্তাহিক সুরমা সম্পাদক শামসুল আলম লিটন, সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফুজ্জামান, আলেয়া রেহমান, ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সাইদুল হোসেন সাহেব, শামীমা আক্তার রুবি। কবি আব্দুল হাই শিকদার প্রমুখ।