ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাব এ বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার ১২টি উপজেলার বৃষ্টিতে নাজেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। ঘর থেকে বের হতে পারছেন না দিনমজুর সহ মানুষজন। এদিকে টানাবৃষ্টিতে আমন ধানের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টির সাথে টান্ডা বাড়ায় দিনমজুর ও খেঠে খাওয়া মানুষজন বেশি বিপাকে পড়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়কে মানুষের ভিড় অন্যদিনের তুলনায় কম লক্ষ্য করা গেছে। যানবাহন কম হওয়ায় জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া দুর্ভোগে পড়েন খেটে খাওয়া নিন্ম আয়ের মানুষেরাও। শহরের এলাকা ঘুরে মানুষের দুর্ভোগচিত্র দেখা গেছে।
পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে এলাকার ফুটপাতের ব্যবসায়ী আহমদ হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে রাস্তায় মানুষ কম বের হচ্ছে। বেচাকেনা নেই। তেমন আয় রোজগার হচ্ছে না।
মোটর সাইকেল চালক আমিনুল মিয়া বলেন, বৃষ্টির কারণে সারাদিনই বসে থাকতে হয়েছে। যাত্রী নেই, আয়-রোজগার বন্ধ।
দিনমজুর জহির মিয়া বলেন, সকালে বৃষ্টির পরিমাণ একবারেই কম ছিল বের হয়ে বাজারে আসলাম। এরপর বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ে। এ জন্য সারাদিন বসে থাকতে হয়েছে। আজ কোনো কাজ পাইনি।
জেলার তাহিরপুর উপজেলার বাসিন্দা কৃষক করিম মিয়া বলেন, আমাদের জমির আমন ধান পরিপক্ব হয়ে গেছে। আর এক সপ্তাহের মধ্যেই কাটা যাবে কিন্তু এমন সময় বৃষ্টি এসেছে তাতে ধান নিয়ে আমরা চিন্তায় পড়ে গেছি। সময় মতো যদি ধান কাটতে না পারি তাহলে অনেক ক্ষতি হবে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামছুদ্দোহা বলেন,
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারাসহ কয়েকটি নদীর পানির বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এতে বন্যা পরিস্থিতি দেখা না দিলেও জনদুর্ভোগ বেড়েছে ।
আরও পড়ুনঃ তাহিরপুরে শেখ রাসেল দিবস পালিত
মন্তব্য করুন