মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানার ওসি মনিরুজ্জামান খান সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন। মে মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, মাদক উদ্ধার এবং ওয়ারেন্ট তামিলে বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওয়ারেন্ট তামিলে বিশেষ সাফল্যের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন বড়লেখা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. সুলতান আহমেদ।
বুধবার (১০ জুন) সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র তুলে দেন ডিআইজি ড. মো. জিললুর রহমান। সভায় ডিআইজি ড. মো. জিললুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সিলেট রেঞ্জ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চার জেলার পুলিশ সুপার এবং মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) নোবেল চাকমা।
জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধী গ্রেপ্তার, মাদক উদ্ধার এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সূচকে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বড়লেখা খানার ওসি মনিরুজ্জামান খানকে সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অন্যদিকে, ওয়ারেন্ট তামিলে দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পান এএসআই মো. সুলতান আহমেদ।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর বড়লেখা থানার দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান সুদৃঢ় ও সময়োপযোগী নেতৃত্বে থানার কার্যক্রমে গতিশীলতা আসে। মাদক, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কার্যকর অভিযান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে তার উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। জনসাধারণের আস্থা ফেরাতে জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করায় সার্বিক মূল্যায়নে তিনি এগিয়ে থাকেন।
পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওসি মনিরুজ্জামান খান বলেন, এই অর্জন বড়লেখা থানার প্রতিটি কর্মকর্তা ও সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের ফল। ভালো কাজের স্বীকৃতি দায়িত্ববোধ ও কর্মস্পৃহা আরও বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও জনবান্ধব পুলিশিং, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ দমনে বড়লেখা থানা সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাবে।
মন্তব্য করুন