যুক্তরাষ্ট্রে ভোট দেওয়ার যোগ্য নাগরিকদের প্রায় ১০ শতাংশই নেচারেলাইজড নাগরিক। ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ভোট দেওয়ার যোগ্য প্রায় ২৫ কোটি মানুষের মধ্যে নেচারেলাইজড নাগরিকের সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ। পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।
২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ভোট দেওয়ার যোগ্য নেচারেলাইজড নাগরিক ছিলেন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ, যা তখন মোট যোগ্য ভোটারের ৬ দশমিক ২ শতাংশ। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। রাজ্যগুলোর মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ায় যোগ্য ভোটারদের মধ্যে নেচারেলাইজড নাগরিকের হার সবচেয়ে বেশি ২২ শতাংশ। এরপর নিউ জার্সিতে ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ, নিউইয়র্কে ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ, ফ্লোরিডায় ১৭ দশমিক ২ শতাংশ, হাওয়াইয়ে ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ এবং নেভাদায় ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ। মন্টানা, মিসিসিপি ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় এ হার সবচেয়ে কম।
নেচারেলাইজড নাগরিক ভোটারদের প্রায় ১৫ শতাংশের জন্ম মেক্সিকোতে। উল্লেখযোগ্য অন্য উৎসদেশের মধ্যে রয়েছে ফিলিপাইন, ভারত, চীন ও ভিয়েতনাম। তাদের হার যথাক্রমে ৬ দশমিক ৪, ৫ দশমিক ৮, ৪ দশমিক ৮ ও ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। নেচারেলাইজড নাগরিকদের প্রায় ৯২ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রে ১১ বছর বা তার বেশি সময় ধরে বসবাস করছেন। তাদের ৭৩ শতাংশের বসবাসের মেয়াদ ২১ বছর বা তারও বেশি।
জাতিগত পরিচয়ে নেচারেলাইজড নাগরিকদের ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ হিস্পানিক, ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ এশীয়, ২০ দশমিক ১ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ এবং ১০ দশমিক ৭ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ। এশীয় যোগ্য ভোটারদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ৬৪ দশমিক ৭ শতাংশ নেচারেলাইজড নাগরিক।
বয়সের দিক থেকেও নেচারেলাইজড নাগরিকরা তুলনামূলকভাবে প্রবীণ। তাদের ৫৯ দশমিক ৮ শতাংশের বয়স ৫০ বছর বা তার বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া যোগ্য ভোটারদের ক্ষেত্রে এ হার ৪৬ দশমিক ১ শতাংশ। নেচারেলাইজড নাগরিক ভোটারদের মধ্যম বয়স ৫৪ বছর, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া ভোটারদের ৪৭ বছর।
আয়ের ক্ষেত্রেও নেচারেলাইজড নাগরিকদের পরিবারের মধ্যম আয় বছরে ১ লাখ ৫ হাজার ডলার, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া যোগ্য ভোটারদের ৯৪ হাজার ডলার। শিক্ষার ক্ষেত্রে নেচারেলাইজড নাগরিকদের ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশের স্নাতক বা উচ্চতর ডিগ্রি রয়েছে; যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া যোগ্য ভোটারদের ক্ষেত্রে এ হার ৩৪ দশমিক ১ শতাংশ।
মন্তব্য করুন