১৬ জানুয়ারী ২০২৪, ১:০৯ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

দুর্ভিক্ষ রুখতে হলে গাজায় আরো ত্রাণ-পথ দরকার: জাতিসংঘ

গাজা ভূখণ্ডে অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির জন্য সোমবার আবারো আহবান জানালেন জাতিসংঘের মহাসচিব। দুর্ভিক্ষ ও রোগের বিস্তার এড়াতে, ত্রাণ সরবরাহের জন্য আরো প্রবেশপথের দরকার বলে জানিয়েছেন ত্রাণ সংক্রান্ত জাতিসংঘ সংস্থাগুলোর প্রধানরা। এর পর মহাসচিব এ আহবান জানান।

আন্তনিও গুতেরেস, জাতিসংঘে সংবাদদাতাদের বলেন, “ফিলিস্তিনি জনগণকে সমষ্টিগতভাবে শাস্তি দেয়া, কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। গাজায় মানবিক পরিস্থিতি বর্ণনাতীত। কোথাও কেউ নিরাপদ নয়।”

গুতেরেস বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের “স্পষ্ট লঙ্ঘনে” তিনি “গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।” তিনি আরো বলেন, “অনাহারের দীর্ঘ ছায়া গাজার মানুষদের পিছু নিয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে রোগ, অপুষ্টি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য-ঝুঁকি।”

জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাগুলো সোমবার সতর্ক করেছে যে গাজা ভূখণ্ডে প্রবেশের বাড়তি পথ ছাড়া, ইতোমধ্যেই ধুঁকতে থাকা ২২ লাখ মানুষের মধ্যে দুর্ভিক্ষ ও রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি), জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা (ইউনিসেফ) ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) প্রধানরা এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।

তারা জানিয়েছেন, গাজায় ফিলিস্তিনিদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রান সহায়তা পৌঁছে দিতে, আরো নতুন প্রবেশ পথ খোলা দরকার; সীমান্ত ফাঁড়ি দিয়ে দৈনিক আরো বেশি সংখ্যক ট্রাক চলাচলের অনুমতি প্রয়োজন; আর, মানবিক কর্মীদের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা হ্রাস ও ত্রাণ বিতরণকারীদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দরকার।

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে, গাজার ২২ লাখ মানুষের মধ্যে ৯ লাখের বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।

জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস বলেন, “ নতুন বছর শুরু হওয়ার পর থেকে উত্তরাঞ্চলে ত্রাণ সরবরাহের জন্য ২৯টি মিশনের মধ্যে মাত্র সাতটি কাজ করতে পারছে।”

ডব্লিউএফপি বলেছে, গাজায় প্রবেশ করার জন্য বর্তমানে মাত্র দুটি সীমান্ত-পথ খোলা রয়েছে। এ কারণে, মাসিক লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ২০ শতাংশ পূরণ করতে পারছে সংস্থাটি।

জাতিসংঘ সমর্থিত ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড নিউট্রিশন ফেজ ক্লাসিফিকেশন গত মাসে সতর্ক করেছিলো যে, গাজার পাঁচ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি ভয়াবহ মাত্রার ক্ষুধা মোকাবেলা করছে। আর, প্রায় ৪ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। ভিওএ

বাংলা সংবাদের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সন্ধা নামে : ছন্দা বিনতে সুলতান

চিঠি লিখি, ডাকবাক্সে হয় না ঢালা : আনোয়ার ইকবাল কচি

বসুধা : অনামিকা নেওয়াজ

চাবুকের হিস হিস বনাম ফেড়ারেল আইন : ইশতিয়াক রুপু

উপনিবেশ থেকে পরাশক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাস

দারুণ মজা: রাজশাহীর কালাই রুটি খেয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রশংসা

ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করছে রোবট

ফ্লোরিডা কিজ: প্রবাল দ্বীপ ও ৪২ সেতুর রহস্য

এক মিনিটে ৩২ ‘টি–শার্ট’ পরে বিশ্ব রেকর্ড

যে দেশে বেতনের বিনিময়ে মা-বাবাকে সময় দেন সন্তানরা

১০

অন্ধ মানুষ স্বপ্নে কী দেখেন?

১১

ইবাদত কবুল হওয়ার শর্তগুলো কী কী

১২

অন্যের হক নষ্ট করে ফেললে করণীয় কী

১৩

অন্যের হক নষ্ট করলে যে শাস্তি পাবেন

১৪

৯/১১ পরবর্তী ‘ওয়ার অন টেরর’র ধাক্কা আমেরিকা এখন টের পাচ্ছে কি

১৫

বাংলাদেশে উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

১৬

নিউইয়র্কে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নারীর জয়, স্টেট সিনেটে নতুন ইতিহাস

১৭

নিউইয়র্কের রাজনীতির নতুন ‘নিয়ন্ত্রক’ মামদানি

১৮

নিউইয়র্কে যাত্রা শুরু ‘বাংলাদেশ সেমিট্রি’র, এক লাখের বেশি কবরের পরিকল্পনা, উদ্বোধনের দিনই সম্পন্ন হলো প্রথম দাফন

১৯

নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের অভিষেক ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

২০