বসুধা
অনামিকা নেওয়াজ
শরীরের ভেতর অলক্ষ্যে বেড়ে উঠছে কাঁটা গাছ।
হাতের পাতা বহুকাল হলো মৃত
তাই হাতছানি দিতে ভুলে গেছি,
এইসব ক্ষয় রোগ নিয়ে এক মৃত রাজ্যে
ভুল পথে বারবার যাই,
সরু গলি
রাজপথে রক্তের ছাপ
কাদের রক্ত? আমাদের, আমাদের সন্ততিদের!
প্রেমিকার চোখেও দেখি এখন ঘোর অবিশ্বাস,
পরিজন নিঃসংকোচে
করাত দিয়ে কেটে নিয়ে যায় পা,
এখন আমরা শাপিত দুঃস্বপ্নের স্থবিরতায়
থেকে থেকে চিৎকার করে উঠে বলি,
বাঁচার ঠিকানা চাই,
আর পেট ভরা ভাত,
যদি সম্ভব হয়,
নিদেনপক্ষে মানুষের কাছে মানুষের মতো আচরণ?
দুঃস্বপ্নের ঘোর কাটলে ফের দেখি এক বধ্যভূমি,
লোলুপ রাক্ষস চেটে নেয় হৃদপিণ্ড
শহরের গাছে গাছে হায়েনার হাসি ভেসে আসে।
আকাশে জ্যোৎস্না নেই মোটে
ধূসর , নোংরা পর্দা দিয়ে ঢাকা আছে চাঁদ।
মধ্যরাতে শীতল স্পর্শ পেয়ে চমকে দেখি ধারালো নখরে উপড়ে ফেলছে রঙিন স্বপ্নগুলো,,
ক্রমশ চোরাবালিতে তলিয়ে যেতে যেতে ভাবি,
একদিন কি বিশ্বাস করেছিলাম ভীষণ!
মন্তব্য করুন