সিলেট নগরের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে এ দৃশ্য দেখা গেছে মশার উপদ্রব দিনকেদিন বাড়তেই আছে। মাত্রাতিরিক্ত গরম থেকে প্রশান্তি পেতে বাসার বাইরে বের হয়েও শান্তি পাচ্ছেন না নগরীর বাসিন্দারা। বাহিরে গরম থেকে খানিকটা মুক্তি মিললেও মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
সিলেট নগরীর বাসিন্দারা জানান, ঘরে-বাইরে দিনরাত মশার উপদ্রব। তবে মশকনিধনে সিটি কর্তৃপক্ষকে ওষুধ ছিটানোর তাগিদও খুব একটা দেখা যায় না। এ ছাড়া পাড়া-মহল্লায় গাছের পাতা-ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকার পাশাপাশি রাস্তায় বালু-পাথর স্তূপ করে ফেলে রাখায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে।
বিভিন্ন আবাসিক এলাকা পর্যবেক্ষণের দেখা গিয়েছে, নালা প্রশস্তকরণের অংশ হিসেবে রাস্তার একাংশ প্রায় দুই মাস থেকে আড়াই মাস আগে খোঁড়াখুঁড়ি করে ফেলে রাখা হয়েছে। নালার নির্মাণকাজ শেষ না করায় যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। তাছাড়াও রাস্তায় প্লাস্টিকের বোতল, পরিত্যক্ত কাগজ ও পলিথিন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এ ছাড়া পাড়া-মহল্লার সরু গলি থাকায় যানবাহন প্রবেশ করতে গিয়ে ভোগান্তি হচ্ছে।
বড়বাজার মণিপুরি গলির একজন বাসিন্দা জানান, মণিপুরি গলির প্রবেশমুখেই বালু স্তূপাকারে থাকায় লোকজনের চলাচলে দুর্ভোগ হচ্ছে। এ ছাড়া একই এলাকার প্রবেশমুখে ময়লা-আবর্জনার অস্থায়ী ভাগাড় থাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
এদিকে ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদের দাবি, তাঁর এলাকার বেশিরভাগ সমস্যাই তিনি সমাধান করতে পেরেছেন বাকি আছে এমন সমস্যা আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে সমাধান করবেন। তাঁর ওয়ার্ডে নির্মাণাধীন নালার ৯৫ ভাগ কাজ তিনি শেষ করেছেন। নালা পরিকল্পিতভাবে হওয়ায় জলাবদ্ধতা সমস্যা পুরোপুরি দূর হয়েছে। তবে নগরের অন্যান্য ওয়ার্ডের মতো তাঁর ওয়ার্ডেও মশার উপদ্রব আছে।
কাউন্সিলর আরও বলেন, বাইপাস রোড বড় করে ফেলেছি বেশ আগেই। বেশ কিছু সরু গলি বড় করেছি, কিছু করা সম্ভব হয়নি। তবে যেসব এলাকায় ১৬ ফুট রাস্তা না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যেতে পারে না, সেসব রাস্তা বড় করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে বলতে গেলে সিলেটের অধিকাংশ জায়গাতেই এমন দৃশ্য দৃশ্যমান যেমন সিলেটের উপশহর, চালিবন্দর, শিবগঞ্জ, লামা বাজার, এমনকি জিন্দাবাজারসহ আম্বরখানার বাসিন্দাদের একই সমস্যা মশার উপদ্রব। এই মশার উপদ্রব থেকে সিলেটের মানুষ পরিত্রাণ চায়।
মন্তব্য করুন