নোবেল শান্তি পুরস্কার কোনোভাবেই হস্তান্তর, ভাগাভাগি বা প্রত্যাহার করা যায় না। এমনটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে নোবেল প্রদানকারী নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগাভাগির ইঙ্গিত দেয়ার পর এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয় প্রতিষ্ঠানটি।
শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে নোবেল ইনস্টিটিউট জানায়, নোবেল ফাউন্ডেশনের বিধি অনুযায়ী একবার কোনো নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলে তা চূড়ান্ত ও স্থায়ী। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের কোনো সুযোগ নেই। পাশাপাশি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরবর্তী বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড নিয়েও নোবেল কমিটি কোনো মন্তব্য করে না বলে জানানো হয়।বিবৃতিতে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ও নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট যৌথভাবে বলে, একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলে তা প্রত্যাহার, ভাগাভাগি কিংবা অন্য কাউকে হস্তান্তর করা যায় না। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং চিরস্থায়ী।
এর আগে গেল সোমবার ফক্স নিউজে উপস্থাপক শন হ্যানিটির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মারিয়া কোরিনা মাচাদো বলেন, ভেনেজুয়েলার জনগণের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে তিনি এই পুরস্কার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দিতে পারেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের জন্যই এমন কৃতজ্ঞতা জানানো হবে।সাক্ষাৎকারে শন হ্যানিটি তাকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি সত্যিই ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন? জবাবে মাচাদো বলেন, ‘এটা এখনো হয়নি।’
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন এবং মাঝে মাঝে কূটনৈতিক সাফল্যের সঙ্গে এ পুরস্কারকে যুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনে আগামী সপ্তাহে মাচাদোর সঙ্গে সম্ভাব্য এক বৈঠকে যদি তাকে এই পুরস্কার দেয়ার প্রস্তাব করা হয়, তবে তিনি তা গ্রহণ করতে সম্মানিত বোধ করবেন।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য করুন