বাইডেন সরকারের নেয়া বিভিন্ন অর্থনৈতিক পদক্ষেপের কারণে দেশের মানুষ বিপাকে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন হাউয স্পিকার মাইক জনসন। মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসিতে অ্যামেরিকা ফার্স্ট পলিসি ইনস্টিউট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ দাবী করেন তিনি।
জনসনের দাবি অনুযায়ী, অ্যামেরিকানদের জন্য বাইডেনের অর্থনীতি ভালো কিছু করেনি। সবাই আগের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করেও কম পারিশ্রমিক পাচ্ছে বলে জানান তিনি। এ অর্থনীতি টেকসই নয় দাবি করে ভবিষ্যতের জন্য আরো ভালো কিছু করার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন জনসন। ডনাল্ড ট্রাম্প দেশের অর্থনীতি ঢেলে সাজাতে পারবেন বলে আশা করেন স্পিকার। বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসন সমাজতান্ত্রিক কাঠামোর অর্থনীতির পরীক্ষা চালাতে গিয়ে দেশের প্রায় অর্জন হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কামালা হ্যারিসকে কমরেড আখ্যায়িত করে জনসন বলেন, তিনি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে বারবার সরকারের ব্যয় বাড়ানোর কথা বলছেন, কর বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছেন। তবে কেউই তাকে এসব নিয়ে প্রশ্ন করছেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জনসন বলেন, ‘ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট ঘোষণা করে দেশকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মূল্যস্ফীতির কবলে ফেলেছে বাইডেন সরকার। সব জিনিস ও সেবার মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছেন তারা।’ স্পিকার বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ওপর দ্বিতীয়বার হামলার চেষ্টা করা হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
ট্রাম্পকে অপ্রতিরোধ্য উল্লেখ করে জনসন আরও বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে কাজ করতে পেরে তিনি কৃতজ্ঞ। ট্রাম্প যে শক্ত মানসিকতা ও ধৈর্য দেখিয়েছেন তার প্রশংসা করেন স্পিকার। আগামীতে ক্ষমতায় গেলে ট্রাম্প দেশের অর্থনীতির আরও উন্নয়ন করবেন বলে আশাবাদী জনসন।
মন্তব্য করুন