বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা—B-1/B-2—ইস্যুর ক্ষেত্রে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড আরোপের কার্যপদ্ধতি হালনাগাদ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
পররাষ্ট্র দপ্তরের ২ অক্টোবর হালনাগাদ করা নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত দেশের পাসপোর্টধারী কোনো আবেদনকারী B-1/B-2 ভিসার জন্য অন্য সব দিক থেকে যোগ্য বিবেচিত হলে তাকে ১০ হাজার, ১৫ হাজার অথবা ২০ হাজার ডলারের বন্ড দিতে হবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় কনস্যুলার কর্মকর্তা আবেদনকারীর পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করবেন। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই বন্ডের বিধান ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর রয়েছে; ২ অক্টোবর প্রকাশিত তথ্যটি মূলত প্রক্রিয়া ও ভ্রমণ-শর্তের হালনাগাদ।
আবেদনকারীদের কনস্যুলার কর্মকর্তার নির্দেশ পাওয়ার আগে কোনো অর্থ পরিশোধ বা Form I-352 জমা না দিতে সতর্ক করেছে পররাষ্ট্র দপ্তর। নির্দেশ দেওয়া হলে সরকার-প্রদত্ত Pay.gov লিংকের মাধ্যমে বন্ডের অর্থ দিতে হবে। আবেদনকারী ছাড়াও পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা ব্যবসায়িক সহযোগী অর্থ দিতে পারবেন; তবে Form I-352-এ উল্লেখ করা obligor বা বন্ডদাতার নামের সঙ্গে অর্থ পরিশোধকারীর নাম হুবহু মিলতে হবে।
বন্ড দিয়ে ভিসা পাওয়া নিশ্চিত হবে না। কর্মকর্তার নির্দেশ ছাড়া অর্থ পরিশোধ করলে তা ফেরত না-ও পাওয়া যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে মার্কিন সরকার।
হালনাগাদ নির্দেশনা অনুযায়ী, বন্ডের আওতায় ভিসাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বাণিজ্যিক বিমানবন্দর অথবা অনুমোদিত CBP preclearance বিমানবন্দর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে হবে। স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর, চার্টার বিমান কিংবা সাধারণ বিমান চলাচলের বন্দর ব্যবহার করা যাবে না। সময়মতো যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ এবং ভিসার সব শর্ত মানা হলে বন্ডের অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দেওয়ার বিধান রয়েছে। এই বন্ড শুধু B-1/B-2 ব্যবসা ও পর্যটন ভিসার জন্য প্রযোজ্য। অভিবাসী ভিসা, K-1 fiancé(e) ভিসা কিংবা F-1 শিক্ষার্থী ভিসার ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা প্রযোজ্য নয়।
মন্তব্য করুন