
ইসলাম ধর্মের সর্বশেষ নবী ও মহান আল্লাহতালার প্রেরিত রাসুল হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও মৃত্যুর পুণ্যময় দিনকে কেন্দ্র করে পালিত হয় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দিনটিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। আরব জাহান যখন পৌত্তলিকতার অন্ধকারে ডুবে যায়, তখন হজরত মুহাম্মদ (সা.) -কে বিশ্বজগতের ত্রাতা হিসেবে রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছিলেন মহান আল্লাহ।
ইসলামের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হিসেবে বিশ্বমানবতার মুক্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা ছিল তার ব্রত। ধর্ম-

বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিক গুণাবলির মানুষ হিসেবে তিনি সব কালে, সব দেশেই।
গত ২৩ অক্টোবর, জোহর নামাজ শেষে হ্যামট্রামিক শহরের আল ইহসান মসজিদ থেকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) প্যারেড। নবী প্রেমী মানুষের ঢল নামে প্যারেডে।
বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া, লেবানন, সোমালিয়া, বসনিয়া, ইয়েমিনীসহ ১০টি দেশে
র প্রবাসী মুসলিম সংগঠনের উদ্যোগে মিশিগানে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে গেট অব কলম্বাসে এসে শেষ হয়।
হ্যামট্রামিক শহরসহ পুরো মিশিগান অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন শহর হতে হাজারো প্রবাসী মুসলিম নারী-পুরুষের সমাগম ঘটে প্যারেডে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানা যায়, হ্যামট্রামিক সিটি কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে এবারই প্রথমবারের মতো পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
প্যারেড শেষে হ্যামট্রামিক শহরের পরিচিত স্থান গেট অব কলম্বাস হলরুমে ইসলামী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিভিন্ন দেশের লোকজনের কন্ঠে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত সহ খ্যাতনামা ইসলামী সংগীত শিল্পীরা পরিবেশন করেন হামদ-নাত ও ইসলামিক সংগীত।
হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনী নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা সেখানে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন দেশের ইসলামী স্কলার্সগণসহ আয়োজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গগণ। বক্তব্য রাখেন বাঙালি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ।
প্যারেড অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দেশের টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্তিত ছিলেন। প্যারেড শৃঙ্খলায় সার্বিক সহযোগিতা করে হ্যামটামিক সিটি পুলিশ
মন্তব্য করুন