বাংলা সংবাদ ডেস্ক
১৩ অগাস্ট ২০২৪, ১২:২০ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় ইসরাঈলের হামলায় মৃত্যু ৪০ হাজার ছুঁই ছুঁই

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাঈলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত আছে। দখলদার দেশটির হামলায় এখনো প্রাণ হারাচ্ছেন শত শত ফিলিস্তিনি। আহতের তালিকাটাও প্রতিনিয়ত দীর্ঘ হচ্ছে। গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামলায় এখন পর্যন্ত পৌনে ৪০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ৮ শতাংশ।

 

২০২৪ সালের ১২ আগস্ট (সোমবার) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো জানিয়েছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাঈলি বাহিনী গাজা উপত্যকার মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষকে হত্যা করেছে৷ তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশের বয়স ৩০ বছরের নিচে।

 

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে ঢুকে গাজার শাসক দল হামাসের প্রাণঘাতী হামলার জবাবে উপত্যকায় প্রায় বিরামহীন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাঈল। হামাসের ওই হামলায় নিহত হয় ১২ শর মতো ইসরাঈলি। ওইদিন দুই শতাধিক ইসরাঈলি বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসেন সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা। ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে দেয় দখলদার দেশ ইসরাঈল। তাদের হামলা থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ কিংবা গির্জার মতো বেসামরিক স্থাপনা। ১০ মাসেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৯ হাজার ৭৯০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৯২ হাজার ০২ জন।

 

হামলার পর বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া অনেকেই নিখোঁজ হয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকাজুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো কয়েক হাজার লোক নিখোঁজ রয়েছেন। মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরাঈল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। দক্ষিণ গাজায় ৭৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি আগস্টের প্রথম সপ্তাহে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরাঈলি বাহিনী খান ইউনিসে নতুন উচ্ছেদের আদেশ জারি করেছে এবং অক্টোবর থেকে শহরে তাদের তৃতীয় সামরিক অভিযান শুরু করেছে। এর মধ্যে বারবার গাজায় ইসরাঈলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে। এর শেষ কোথায় এখনো জানেন না নিরীহ ফিলিস্তিনিরা।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মিশিগানে মুনার দাওয়াহ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত অংশ নেন হাজারো মানুষ

৬১% মার্কিনি চান সামাজিক মাধ্যম কোম্পানিগুলোর ওপর বাড়ুক নজরদারি

হরমুজ খুলে দিলে এখন পারমাণবিক চুক্তি ছাড়াই ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে রাজি ট্রাম্প

চা শ্রমিকদের গণবিক্ষোভ, দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি

শুধু সন্তান জন্মের জন্য বছরে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান কত মানুষ

চাকরি হারালেই ৬০ দিন সময় নয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভিসাধারীদের জন্য নতুন পরিবর্তনের প্রস্তাব

চুল গজাতে পেয়ারা পাতা—আসলেই কি কাজ করে?

মার্কিন নাগরিকত্ব নীতিতে আবারও ট্রাম্পের কড়াকড়ি, মানলেন না আদালতের রায়

৩০৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ কলেজ অধ্যাপক

হ্যাকিং বিতর্কে মেটার এআই, বাড়ছে সাইবার ঝুঁকির আশঙ্কা

১০

ইসরাইল ইস্যুতে অবস্থান, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ায় কি প্রভাব পড়বে

১১

চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ল ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানের রকেট

১২

আনন্দঘরে বিপুল আনন্দ

১৩

‘জুলাইকার’ এই বিতর্কের জন্য আদালত থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া না হলে সেটা জাতির জন্য লজ্জার হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

১৫

মিশিগানে ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রাইমারিতে জয়ী আবদুল আল-সাইয়েদ, ব্যর্থ কোটি কোটি ডলারের প্রচারণা

১৬

মিশিগানে দক্ষিণ সুরমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত

১৭

বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক পুনর্বিন্যাস, ৫ অঞ্চলে মিশন বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র

১৮

মিশিগানে ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলির বনভোজনে প্রাণের উচ্ছ্বাস

১৯

মিশিগানে ডেমোক্র্যাটদের প্রাইমারিতে আল-সাইয়েদকে হারাতে কেন এত মরিয়া ইসারায়েলি লবি এআইপ্যাক

২০