প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে সাইধারণ মানুষের হয়রানির সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে এবং নিয়ন্ত্রণহীন হয়েপড়ছে সাইবার সম্পর্কিত ক্রাইম। অন্য দিকে সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলি যেমন ফেসবক, হোয়াটসএপ, ইন্সট্রাগ্রামের মূল মালিক মেটার সঙ্গে সরকারের কোনো চুক্তি ও নেই যাতে মেটার কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে অপরাধীর খুঁজ বের করা এবং শাস্তির আওয়তায় নিয়ে আসা যায়।
অন্যদিকে ভুয়া সিমের নিবন্ধন এখনও পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা। বহুসংখ্যক হেন্ডসেট এখনো কর্তৃপক্ষের ডাটাবেজের বাহিরে রয়েছে। এই দিকে সাইবার এক্সপারট গণের মতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বব্যর্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যার ফলে অপরাধ ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে তারা। মেটার সাথে ‘এমলেট’ করতে ব্যর্থ সরকার এখন বিভিন্ন ধরনের নিশ্চিত সেবার আওতার বাহিরে রয়েছে। র্যাবের ভাষ্যমতে, মাত্র চারভাগের এক ভাগ সময় সারা দেয় মেটা যদিও রিপোর্ট করার সময় প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট দেওয়াও হয়।
অনুসন্ধান অনুযায়ী পৃথিবীতে টুটাল ৩০০ কোটির কাছাকাছি সংখক মানুষ একটিভ রয়েছেন ফেইসবুকে। এবং প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি মানুষ ফেসবুকে লগইন করেন। মেটার সূত্র মতে আমাদের দেশে মোট ১১ কোটি ফেইসবুক একাউন্ট ব্যবহারকারী রয়েছেন। যা বিশ্বের যেকেনো প্রথম সারির দেশের তুলনায় বেশি। বেশি ব্যাবহারকরি থাকায় অপরাধ এর সংখ্যা ও বেশি হওয়াটা স্বাভাবিক। তাই এই দেশে যে মেটার একটি অফিস দরকার সেটা পর্যন্ত সরকার মেটাকে বোঝাতে এখনো পর্যন্ত অক্ষম। যদিও ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি গুলি সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রনের কাজ করে যাচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিটিআরসির এক সূত্র অনুযায়ী ইন্টারনেটের সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার হচ্ছে সামাজিক মাধ্যম গুলিতে। যোগাযোগমাধ্যম কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে আপত্তিকর বা ক্ষতিকর পোস্ট-কনটেন্ট সরাতে অনুরোধ করা হচ্ছে বিটিআরসির প্রধান দায়িত্ব। বাস্তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো অর্ধেকের ও কম ক্ষেত্রে সারা দেয় ঐসকল অনুরুধে। যার ফলে অপরাধের বিরুদ্দ্বে ব্যবস্থা নেওয়া বা অপরাধ দমানো সম্ভব হচ্ছেনা কর্তৃপক্ষের।
মন্তব্য করুন