চলতি বছরে ইতালি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৮২ হাজার ৭০৫ জন কর্মী নিতে একটি গেজেট প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশসহ ৩৩টি দেশ থেকে সিজনাল ও নন-সিজনাল এই দুই ধরনেরই লোক নেবে ইতালি। ইতালির প্রধানমন্ত্রীর আন্ডারসেক্রেটারি আলফ্রেডরো মানতোভানোকে উদ্ধৃত করে দেশটির ইংরেজি অনলাইন সংবাদপত্র দ্য লোকাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। আগামী ২৭ মার্চ স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হবে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর। দ্য লোকাল
ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান জানান, কর্মী নিয়োগের ব্যাপারে ইতালি সরকারের অবস্থান যাচাই করছে বাংলাদেশ দূতাবাস। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রচার করা হবে।
ইতালিতে বৈধভাবে আছেন, কিন্তু কর্মহীন এমন লোকজনের মধ্য থেকে মৌসুমি এবং অমৌসুমি (বছরব্যাপী কাজের সুযোগ পেতে পারেন), এই দুই ধরনের ব্যক্তিদের মধ্য থেকে কর্মী নিয়োগের কথা বলা হচ্ছে বলে জানান রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান। এরপর আরও কর্মক্ষেত্র খালি থাকলে বিভিন্ন দেশের কর্মীরা ইতালির বাইরে থেকে আবেদনের সুযোগ পেতে পারেন জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকেও চাকরিপ্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
যে সকল দেশ থেকে আবেদন করা যাবে- আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, বাংলাদেশ, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, দক্ষিণ কোরিয়া, আইভরি কোস্ট, মিশর, এল সালভেদর, ইথিওপিয়া, ফিলিপাইন, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, জাপান, গুয়েতেমালা, ভারত, কসোভো, মালি, মরক্কো, মরিশাস, মলদোভা, মন্টেনিগ্রো, নাইজার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, পেরু, রিপাবলিক অব নর্থ মেসেডোনিয়া, সেনেগাল, সার্বিয়া, শ্রীলঙ্কা, সুদান, তিউনিশিয়া ও ইউক্রেন। সরকারি গেজেট অনুযায়ী, এইসব দেশের নাগরিকরা ইতালিতে ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
সরকারি ওই ডিক্রি অনুযায়ী, কৃষি, সড়কের যান তৈরি, নির্মাণ, টুরিজম-হোটেল, মেকানিকস, টেলিকমিউনিকেশন্স, ফুড, শিপবিল্ডিং সেক্টরে লোক নেবে ইতালি। এছাড়া উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার, আর্টিস্ট, ব্যবসা শুরু করতে চাওয়া ব্যক্তিরা ইতালির ভিসা নিতে পারবে।
এর আগে ২০০১ সালে ৩০ হাজার লোককে ওয়ার্ক পারমিট দেয় ইতালি। ২০২২ সালে এই সংখ্যাটা ছিল ৬৯ হাজার ৭০০ এবং ২০২৩ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৮২ হাজার ৭০৫ জন।
মন্তব্য করুন