অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে নির্মূলের লক্ষ্য হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই সব হামলায় বিপুল সংখ্যক বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটছে প্রতিদিনই। যেমন, দুটি পরিবার আশ্রয় নিয়েছিল গাজার দক্ষিণ অঞ্চল রফায় সরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে। কিন্ত সেখানেও ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালানোতে শেষরক্ষা হয়নি তাদের । কারণ ওই দুই পরিবারের ১০ জন নিহত হন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল এক শিশুকন্যা এবং মৃত্যুর সময় যার হাতে ছিল পাউরুটির একটি টুকরা। হামলার সময় ওই পরিবার গুলি রাতের খাবার খাচ্ছিল। বাসেম আরাফেহ নামের এক নিকট আত্মীয় বলেন ক্ষুধার্ত অবস্থায় এই শিশুর প্রাণ গেছে সে এক শুধু টুকরা রুটি খাচ্ছিল।
তা ছাড়াও উত্তর গাজা থেকে যারা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন তারা এখনই বাড়িতে ফিরতে পারবেননা বলে দাবি করেছেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন একটি সাধারণ কথা বলা আছে আন্তর্জাতিক আইনে আর তা হচ্ছে যতক্ষণ পর্যন্ত বিপদ থাকবে ততক্ষণ আপনি তাদেরকে ফিরে আসতে দিতে পারবেননা যদি কোনও এলাকা থেকে জনসংখ্যাকে সরিয়ে দেন। তার দাবি সেখানে এখনো যুদ্দ্ব চলমান এবং তা চলতেই থাকবে বিজয় না হওয়া পর্যন্ত। তার দাবি হামাস ব্যাটালিয়নের বেশিরভাগকেই নির্মূল করেছে তার বাহিনীর সামরিক বাহিনি।
এইদিকে ইসরায়েলি প্রধান মন্ত্রী এক ভিডিওবার্তায় বলেন, এ নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই আমরা শেষ অবধি লড়াই চালিয়ে যাব। আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে আমি অত্যন্ত বেদনা নিয়ে এসব কথা বলছি। কিছুই আমাদের থামাতে পারবে না। আমরা শেষ পর্যন্ত লড়ব, জয় না হওয়া পর্যন্ত।
অন্যদিকে ১০০তম দিনে পা দিচ্ছে ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসন। যুদ্ধবিরতির দাবিও হয়ে উঠেছে বেশ জোরালো মনকি গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলছে মামলাও। সে ই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েলের আক্রমণ।
এ বিষয়ে শনিবার টেলিভিশনে সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, কেউ তাদের থামাতে পারবে না আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা অন্য যেকোনো অশুভ শক্তির কারো ক্ষমতা নেই আমাদের থামানোর। আমাদের পক্ষে এই যুদ্ধ চালিয়ে আমাদের পক্ষে সম্ভব এবং আমরা গাজায় তাই করবো যা যা আমাদের করা দরকার।
মন্তব্য করুন