
ক্ষমতাসীন সামরিক শাসক গোষ্ঠীর দুই অংশ সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) মধ্যে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে এখন পর্যন্ত ২৫ জন নিহত ও আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৮৩ জন। শনিবার হঠাৎ করেই তা প্রবল সংঘাতে রূপ নিয়েছে। চলমান এই লড়াইয়ের কারণে দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত জানানো হয়েছে।
সুদানের স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা ডক্টরস কমিটি জানিয়েছে, এই সংঘাত কেবল সুদান নয় আশপাশের অঞ্চলকেও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। পাশাপাশি এটি এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারে উপসাগরীয় দেশগুলোকেও জড়িয়ে ফেলতে পারে। আর সেই সূত্র ধরে হাজির হয়ে যেতে পারে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো। সুদানের সশস্ত্রবাহিনী ব্যাপকভাবে সুদানের বর্তমান ডি ফ্যাক্টো শাসক জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের প্রতি অনুগত। তবে অন্যদিকে আরএসএফ মোহাম্মদ হামদান দাগালোর অনুগত। যিনি হেমেদতি নামেই বেশি পরিচিত।
ফোনে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরএসএফ কমান্ডার জেনারেল মোহামেদ হামদান দাগালো সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানকে ‘ক্রিমিনাল’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, সেনাবাহিনীই অভ্যুত্থান চেষ্টা করছে। আরএসএফ সেনাদের সংঘর্ষে বাধ্য করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন