ইয়েমেনে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য আত্মপক্ষ সমর্থন করে বিবৃতি দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে। তবে রাশিয়া ও চীনেই অভিযোগ হলো এই দুই পশ্চিমা পরাশক্তি বিভিন্ন অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়িয়েই চলছে। এবং নিরাপত্তা পরিষদের অন্যান্য সদস্য গুলিও উক্ত দুই পশ্চিমা পরাশক্তির কাজে নিন্দা জানিয়েছে।
১২ জানুয়ারি শুক্রবার ইয়েমেনে হামলার বিষয়ে জাতিসংগের নিরাপত্তা পরিষদে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। তখন মার্কিন দূত লিন্ডা টমাস বলেন, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংগের নিয়ম মেনেই চালানো হয় যার লক্ষ ছিল ইয়ামানের হুতিদের গায়েল করা যেন তারা আর কখনো জাহাজের হামলার মত কাজ করার না করতে না পারে।
জাতিসংগের নিরাপত্তা পরিষদের ব্রিটিশ প্রতিনিধি এক বিবৃতিতে বলেন আমরা আত্মরক্ষা মূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই হামলা চালিয়ে ছিলাম। যা ছিল সীমিত পরিসরে একটি যুক্তিসংগত অভিযান যাতে বাহরাইন,
নেদারল্যান্ডস, কানাডা, ও অস্ট্রেলিয়া এর পূর্ণসমর্থন ছিল।
অন্যদিকে রাশিয়ার প্রতিনিধি ভাসিনি নেবেনজিয়া বলেন, এই হামলা করা হয়েছে সম্পূর্ণ ভাবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে। যার ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা এখন আরও বেড়েছে। তিনি আরও বলেন বাণিজ্যক জাহাজের হামলা করা দুঃখজনক এবং এর প্রতিরোধ করা অবশ্যই সমর্থনযোগ্য কিন্তু ইয়ামেনে এই হামলা ছিল নির্বিচারে এবং সম্পূর্র্ণ অন্যায় ভাবে।
এই দিকে হুতি দেড় হুশিয়ার করেছেন জু বাইডেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন তারা যদি আবারো এমন কাজ করে তাহলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন