গতকাল মঙ্গলবার লেবাননজুড়ে অনেকটা একযোগে পেজার (যোগাযোগযন্ত্র) বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কমপক্ষে ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত প্রায় ২ হাজার ৮০০ জন। এই ঘটনার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে হিজবুল্লাহ। লেবাননের ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঘটনাটি যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টায় প্রভাব ফেলতে পারে। গাজা যুদ্ধ শুরুর পর এ নিয়ে ১০ বার মধ্যপ্রাচ্য সফরে গেলেন ব্লিঙ্কেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই সফরে ব্লিঙ্কেন যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে মিসরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
কায়রো সফরকালে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে ব্লিঙ্কেনের। এ ছাড়া মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তির সঙ্গে ব্লিঙ্কেনের সংবাদ সম্মেলন করার কথা। তবে এই দফার মধ্যপ্রাচ্য সফরে ব্লিঙ্কেন তাঁর দেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলে যাবেন না। মার্কিন কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে বলছেন, তাঁরা আজ বুধবার কায়রোর আলোচনায় বড় কোনো অগ্রগতি হওয়ার আশা করেন না। তবে ব্লিঙ্কেনের এই সফর ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করার ক্ষেত্রে চাপ হিসেবে কাজ করে যাবে।
|
১৫ মে, ২০২৬