বিশ্ব সংবাদ
চলমান

তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন ওয়াং ই

শুক্রবার (৬ আগস্ট) বিকেলে চীনা রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই নমপেনে পূর্ব এশিয়া সহযোগিতা বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশগ্রহণের পর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অবস্থান পুনরায় ব্যাখ্যা করেন।

ওয়াং ই বলেন, চীনের দৃঢ় বিরোধিতা উপেক্ষা করে, মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি, প্রকৃতপক্ষে মার্কিন সরকারের যোগসাজশ ও ব্যবস্থার অধীনে, নির্লজ্জভাবে চীনের তাইওয়ান অঞ্চলে কথিত সফর করেছেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে এবং গুরুতরভাবে তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন করেছে। চীনের অবশ্যই এর দৃঢ় প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত।

তিনি বলেন, এই ইস্যুতে চীনের অবস্থান বৈধ, যুক্তিসঙ্গত ও আইনগত। এক্ষেত্রে চীন দৃঢ় ও উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চীনের সামরিক মহড়া উন্মুক্ত, স্বচ্ছ ও পেশাদার, যা দেশীয় আইন, আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক অনুশীলনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। চীনের সরকার ও জনগণ দৃঢ়ভাবে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করবে, ‘চীনকে নিয়ন্ত্রণ করতে তাইওয়ানকে ব্যবহার করার’ মার্কিন অপচেষ্টা দৃঢ়তার সাথে প্রতিহত করবে।

ওয়াং ই বলেন, চীন আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নিয়মগুলো বরাবরই মেনে আসছে। বিশেষ করে, জাতিসংঘ সনদে কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নীতি।

চীন তাইওয়ান প্রণালীজুড়ে স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করেছে বলে মার্কিন দাবির জবাবে ওয়াং ই বলেন, এটি সম্পূর্ণ গুজব এবং অপবাদ। তাইওয়ান কখনও একটি দেশ ছিল না। বিশ্বে শুধুমাত্র একটি চীন আছে এবং প্রণালীর উভয় পাশ একই দেশের অন্তর্গত।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে তার সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে। সকল পক্ষকেই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাভাবিক পদ্ধতি হলো প্রথমে সমস্যা তৈরি করা, তারপর তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য সে সমস্যাকে ব্যবহার করা। কিন্তু চীনের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কাজে আসবে না।

(ওয়াং হাইমান ঊর্মি, সাংবাদিক, বাংলা বিভাগ, চায়না মিডিয়া গ্রুপ, বেইজিং, চীন।)

Back to top button