বাংলা সংবাদ ডেস্ক
২ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

অটিজম ও লার্নিং ডিজএবিলিটি সেবায় মানবিক বিপ্লব, সিলেট শহরে আপাসেন ও ফিনিক্স স্কুলের অনন্য অভিযাত্রা

সিলেটের আম্বরখানার একটি ভবনে প্রতিদিন সকাল হলেই ভিন্ন এক পৃথিবীর দরজা খুলে যায়। সেখানে কারও চোখে ভয় নেই, নেই অবহেলার দীর্ঘশ্বাস; বরং আছে রঙিন দেয়ালে আঁকা স্বপ্ন, হাসিমাখা মুখ, ধৈর্যশীল শিক্ষকের হাতধরা পথচলা আর প্রতিটি শিশুর সম্ভাবনাকে সম্মান করার এক অনন্য সংস্কৃতি। এখানেই গড়ে উঠেছে অটিজম ও লার্নিং ডিজএবিলিটি সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের জন্য আশার এক আলোকবর্তিকা- “আপাসেন ইন্টারন্যাশনাল” ও “ফিনিক্স স্কুল সিলেট”।

 

 

বাংলাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা ও মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে বহু বছর ধরেই নানা সীমাবদ্ধতা ছিল। পরিবারগুলোকে লড়াই করতে হতো সামাজিক কুসংস্কার, উপযুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভাব, প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংকট এবং মানসিক চাপের সঙ্গে। অনেক অভিভাবকই জানতেন না, তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে। ঠিক এমন বাস্তবতায় সিলেটে শুরু হয় এক নীরব কিন্তু বৈপ্লবিক পরিবর্তনের যাত্রা।

 

 

যুক্তরাজ্যভিত্তিক চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান “আপাসেন ইউকে”-এর সহায়তায় পরিচালিত ফিনিক্স স্কুল সিলেট ও আপাসেন ডে সেন্টার আজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; বরং এটি একটি মানবিক আন্দোলনের নাম। এমন এক আন্দোলন, যা সমাজকে শিখাচ্ছে অটিজম বা লার্নিং ডিজএবিলিটি কোনো অক্ষমতা নয়, বরং ভিন্নধর্মী সক্ষমতার একটি জগৎ, যাকে বুঝতে হয় ভালোবাসা, বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে।

 

 

২০১৫ সালে যখন ফিনিক্স স্কুল সিলেট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়, তখন উদ্দেশ্য ছিল খুব স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের অটিজম আক্রান্ত শিশুদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে তারা শুধু পড়াশোনাই করবে না; বরং নিজের আত্মবিশ্বাস, সামাজিক দক্ষতা ও স্বাধীনভাবে বাঁচার সক্ষমতা অর্জন করবে।

 

 

এই উদ্যোগের পেছনে ছিল যুক্তরাজ্যের ফিনিক্স স্কুল লন্ডনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। স্কুলটির নির্বাহী প্রধান শিক্ষক স্টুয়ার্ট হ্যারিস বাংলাদেশ সফরে এসে ঢাকা ও সিলেটের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষাব্যবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বুঝতে পারেন, বাংলাদেশে অসংখ্য শিশু রয়েছে যারা সঠিক সহায়তা পেলে সমাজের বোঝা নয়, বরং সম্পদে পরিণত হতে পারে।

 

 

এরপর শুরু হয় পরিকল্পনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার দীর্ঘ প্রস্তুতি। এই উদ্যোগের সবচেয়ে অনন্য দিকগুলোর একটি হলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের আবেগ ও সম্পৃক্ততা। পূর্ব লন্ডনে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি বড় অংশের শিকড় সিলেটে। ফিনিক্স স্কুল লন্ডনের বহু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের পরিবারও সিলেটের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ফলে যখন সিলেটে একটি আন্তর্জাতিক মানের অটিজম স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন যুক্তরাজ্যের প্রবাসী বাংলাদেশিরা শুধু অর্থনৈতিক সহায়তাই করেননি; বরং তাদের অভিজ্ঞতা, সময় ও ভালোবাসা দিয়েও পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফলে এই প্রকল্পটি দুই দেশের মানুষের মধ্যে মানবিক সম্পর্কেরও এক অনন্য সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।

 

 

২০১৭ সালে ফিনিক্স স্কুল লন্ডনের সহযোগী প্রধান শিক্ষিকা ভেরোনিকা আর্মসন-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল সিলেটে আসে। তারা স্থানীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অটিজম আক্রান্ত শিশুদের শিক্ষাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং দেখতে পান বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নেই পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত শিক্ষক, উপযোগী শ্রেণিকক্ষ কিংবা আধুনিক থেরাপিভিত্তিক শিক্ষা।

 

 

এরপর শুরু হয় পরিবর্তনের কাজ। শিক্ষকদের শেখানো হয়- অটিজমবান্ধব শ্রেণিকক্ষ পরিচালনা, আচরণ ব্যবস্থাপনা কৌশল, স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপির মৌলিক ধারণা, সেন্সরি বা সংবেদনশীল শিক্ষা পদ্ধতি, দলভিত্তিক শিক্ষণ কৌশল, অভিভাবক সম্পৃক্ততা।

 

 

স্থানীয় শিক্ষকদের জন্য ওপেন ইউনিভার্সিটির স্বীকৃত অনলাইন প্রশিক্ষণ চালু করা হয়। শুধু তাই নয়, লন্ডন ও সিলেটের শিক্ষকদের মধ্যে নিয়মিত অনলাইন সেশনও চালু করা হয়, যাতে তারা যেকোনো সমস্যা নিয়ে সরাসরি পরামর্শ নিতে পারেন।

 

 

এই ধারাবাহিক সহযোগিতার ফলে ফিনিক্স স্কুল সিলেট ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপ নিতে শুরু করে। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে “ফিনিক্স স্কুল সিলেট”। একটি অব্যবহৃত ভবনকে ধীরে ধীরে রূপান্তর করা হয় অটিজমবান্ধব আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। দেয়ালের রং, আলো, শ্রেণিকক্ষের বিন্যাস, শিক্ষাসামগ্রী সবকিছুই সাজানো হয়েছে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মানসিক স্বাচ্ছন্দ্য বিবেচনায়।

 

 

এখানে প্রতিটি শিশুকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয়। কারণ অটিজম আক্রান্ত কোনো দুটি শিশুর শেখার ধরন এক নয়। কেউ ছবি দেখে দ্রুত শেখে, কেউ সংগীতের মাধ্যমে, কেউবা হাতে-কলমে কাজ করে। তাই ফিনিক্স স্কুলে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা শিক্ষাপদ্ধতি ও সহায়ক পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। শুধু একাডেমিক শিক্ষা নয়, এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়- যোগাযোগ দক্ষতা, সামাজিক আচরণ, আত্মনির্ভরতা, দৈনন্দিন জীবন দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, আবেগ নিয়ন্ত্রণ।

 

 

শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ কেউ প্রথমে কথা বলতে পারত না, চোখে চোখ রেখে তাকাত না কিংবা সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন ছিল। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা ও থেরাপির মাধ্যমে তারা ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে- কেউ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে শিখছে, কেউ বন্ধু তৈরি করছে, কেউ আবার নিজেই নিজের কাজ করতে পারছে।

 

 

ফিনিক্স স্কুলের পাশাপাশি সিলেটে প্রতিষ্ঠিত “আপাসেন ডে সেন্টার” বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি করেছে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত। সিলেট শহরের আম্বরখানার চন্দনটুলায় অবস্থিত এই কেন্দ্রটি মূলত ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী লার্নিং ডিজএবিলিটি সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য পরিচালিত হয়।

 

 

এখানে কেবল সময় কাটানোর জন‍্য নয়; বরং শেখানো হয় বাস্তব জীবনের দক্ষতা। কেন্দ্রটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে- স্বাস্থ্যকর খাদ্য প্রস্তুতি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, রান্না ও দৈনন্দিন কাজ, কম্পিউটার শিক্ষা, ইন্টারনেট ব্যবহার, গণপরিবহন ব্যবহার শেখানো, সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতা, ক্রীড়া ও ব্যায়াম, সাঁতার প্রশিক্ষণ, বাগান করা ও কৃষিভিত্তিক কাজ, নাটক, গান ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম।

 

 

এই কার্যক্রমগুলো অংশগ্রহণকারীদের শুধু আনন্দই দেয় না; বরং তাদের আত্মবিশ্বাসী ও আত্মনির্ভর মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। অনেক অভিভাবক বলেন, আগে তাদের সন্তান সারাদিন ঘরে একা থাকত, সমাজের সঙ্গে মিশতে ভয় পেত। কিন্তু এখন তারা বন্ধু তৈরি করছে, নিজের কাজ নিজে করতে শিখছে এবং পরিবারের সঙ্গে আরও স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ করছে।

 

 

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর পরিবারগুলো প্রায়ই মানসিক চাপ, হতাশা এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মধ্য দিয়ে যায়। আপাসেন ও ফিনিক্স স্কুল সেই পরিবারগুলোর জন্যও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে। নিয়মিত পেরেন্টস মিটিংয়ের মাধ্যমে অভিভাবকেরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারেন। তারা জানতে পারেন কীভাবে সন্তানকে আরও ভালোভাবে সহায়তা করা যায়। একই সঙ্গে এই কেন্দ্র পরিবারগুলোর জন্য কিছুটা স্বস্তি ও মানসিক শক্তির জায়গাও তৈরি করেছে।

 

 

আপাসেন ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী মাহমুদ হাসান এমবিই মনে করেন, বাংলাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো এখন সময়ের দাবি। তার ভাষায়, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে অটিজম বা লার্নিং ডিজএবিলিটি কোনো বাধা হবে না। প্রতিটি মানুষ তার নিজস্ব সক্ষমতা অনুযায়ী বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে।”

 

 

তিনি জানান, ভবিষ্যতে এই উদ্যোগ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। আপাসেন ইন্টারন্যাশনালের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর স্বর্ণময়ী সরকার বলেন, “অটিজম ও লার্নিং ডিজএবিলিটি সম্পন্ন শিশুদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ভালোবাসা, ধৈর্য এবং সঠিক দিকনির্দেশনা। আমরা এখানে প্রতিটি শিশুকে আলাদাভাবে বুঝতে চেষ্টা করি। তাদের ছোট ছোট অর্জনও আমাদের জন্য অনেক বড় সাফল্য। ফিনিক্স স্কুল ও আপাসেন ডে সেন্টারের লক্ষ্য শুধু শিক্ষা দেওয়া নয়; বরং এমন একটি নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে তারা আত্মবিশ্বাস নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা চাই, সমাজ তাদের করুণা নয়, সম্মান ও সক্ষমতার দৃষ্টিতে দেখুক।”

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিনিক্স স্কুল সিলেটের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো এটি “সহানুভূতি”কে “দক্ষতা”র সঙ্গে যুক্ত করেছে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি সহানুভূতি থাকলেও বৈজ্ঞানিক শিক্ষা ও দক্ষ সহায়তার অভাব রয়েছে। আবার কোথাও কেবল থেরাপি দেওয়া হলেও শিশুর আবেগ, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি বা পারিবারিক সমর্থনের বিষয়টি উপেক্ষিত হয়। ফিনিক্স স্কুল এই দুই জায়গাকে একত্র করেছে। এখানে শিশুকে “সমস্যা” হিসেবে নয়, বরং “সম্ভাবনা” হিসেবে দেখা হয়।

 

 

অটিজম ও লার্নিং ডিজএবিলিটি সম্পন্ন মানুষের জন্য মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন, দক্ষ জনবল, আধুনিক অবকাঠামো এবং সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। তবে নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আপাসেন ও ফিনিক্স স্কুল সিলেট আশাবাদী। কারণ তারা বিশ্বাস করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব, যদি পরিবার, সমাজ, সরকার এবং মানবিক সংগঠনগুলো একসঙ্গে কাজ করে।

 

 

ফিনিক্স স্কুল সিলেট ও আপাসেন ডে সেন্টারের গল্প শুধু একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ইতিহাস নয়; এটি অসংখ্য স্বপ্নহারা পরিবারে নতুন আশার আলো জ্বালানোর গল্প। যেখানে একসময় অনেক অভিভাবক সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগতেন, আজ সেখানে তারা দেখছেন সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।

 

 

সিলেটের আম্বরখানার এই ছোট্ট পরিসর যেন প্রতিদিন নতুন করে প্রমাণ করছে সঠিক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, ভালোবাসা ও সহানুভূতি পেলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরাও সমাজের বোঝা নয়; বরং তারা হতে পারে আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও স্বনির্ভর মানুষ।

 

 

মানবিকতা, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানের সহায়তার অসাধারণ সমন্বয়ে সিলেটের এই উদ্যোগ এখন ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে পুরো বাংলাদেশের জন্য এক অনুকরণীয় মডেল।

 

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হারানো প্রেমের টানে ৮৬ বছরের ফরাসি নারী যুক্তরাষ্ট্রে, অতঃপর…

‘জিরো গ্রাভিটি’তে উড়লেন মার্কিন বৃদ্ধ, শৈশবের স্বপ্ন ৯৭ বছর বয়সে পূরণ

মানুষ নয়, লড়ছে রোবট

বিয়ের মঞ্চে বর–কনের কুস্তি

‘বইবিহীন’ বইয়ের দোকান

জাতিসংঘে বাংলাদেশের বড় সাফল্য, সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

অটিজম ও লার্নিং ডিজএবিলিটি সেবায় মানবিক বিপ্লব, সিলেট শহরে আপাসেন ও ফিনিক্স স্কুলের অনন্য অভিযাত্রা

ঋণমুক্ত জীবনের জন্য ইসলামের ১০ শিক্ষা

সুস্থ দেহ ও মনের জন্য মহানবী (সা.)–এর ১০ সুন্নাহ

মিশিগান বিএনপির উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

১০

সান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারে হামলা, ইসলামবিদ্বেষ ও ঘৃণাপ্রসূত সহিংসতা নিয়ে ইমাম কাউন্সিলের উদ্বেগ

১১

বিশ্ব ওয়েল্ডিং প্রতিযোগিতা, মিশিগানের মিকালা স্পসিটো যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রতিনিধি

১২

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিল মোকাবিলায় নিউইয়র্কের বড় সহায়তা কর্মসূচি

১৩

বিশ্ব মাতোয়ারা ফুটবল জ্বরে, কানাডা, মেক্সিকোর সঙ্গে আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র

১৪

বিশ্ব শান্তি মিশনে অবদানের স্বীকৃতি, জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি

১৫

অভিবাসন ইস্যুতে অবস্থান বদল, গ্রিনকার্ডধারীদের জন্য সুখবর ট্রাম্পের

১৬

অভিবাসী ভিসা আবেদন দ্রুত করতে নতুন ব্যবস্থা, দুই দিনের প্রসেসিং চালু করছে মার্কিন দূতাবাস

১৭

মিশিগানে ইউনিক ঈদ বাজার মেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

১৮

আজাদ স্পোর্টস একাডেমির বার্ষিক ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন

১৯

কোরআন পোড়ানোর উস্কানি ঘিরে উত্তেজনা হ্যামট্রামিক ও ডিয়ারবর্নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির

২০