
বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হচ্ছে শনিবার (১ অক্টোবর)।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে এ দুর্গোৎসব শুরু হয়ে পাঁচ দিনের এ মহোৎসব আগামী বুধবার (৫ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
দুর্গাপূজাকে বাংলাদেশসহ প্রবাসী বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বইছে। ঢাক-ঢোল কাঁসা ও শঙ্খের আওয়াজে বিভিন্ন মন্দির মুখরিত হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্গা শব্দের অর্থ হলো ব্যূহ বা আবদ্ব স্থান । যা কিছু দুঃখ কষ্ট মানুষকে আবদ্ধ করে, যেমন বাধাবিঘ্ন , ভয় দুঃখ, শোক ,জ্বালা ,যন্ত্রনা এসব থেকে তিনি ভক্তকে রক্ষা করেন। শাস্ত্রকাররা দুর্গার নামে অন্য একটি অর্থ করেছেন। দুঃখের দ্বারা যাকে লাভ করা যায় তিনিই দুর্গা। দেবী দুঃখ দিয়ে মানুষের সহ্যক্ষমতা পরীক্ষা করেন। তখন মানুষ অস্থির না হয়ে তাঁকে ডাকলেই তিনি তার কষ্ট দূর করেন।
হিন্দু পূরাণ মতে দুর্গাপূজার সঠিক সময় হলো বসন্তকাল কিন্তু রামচন্দ্র, রাজা সুরথ এবং বৈশ্য সমাধি বসন্তকাল পর্যন্ত অপেক্ষা না করে শরতেই দেবিকে অসময়ে জাগ্রত করে পূজা করেন। সেই থেকে অকাল বোধন হওয়া সত্ত্বেও শরত কালে দুর্গাপূজা প্রচলিত হয়ে যায় ।
ভক্তদের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার গজে (হাতী ) চড়ে কৈলাশ থেকে মর্ত্যালোকে (পৃথিবী) আসবেন। এতে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঝড় বৃষ্টি হবে এবং শস্য এবং ফসল উ্ৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে কৈলাশে (স্বর্গে) বিদায় নেবেন নৌকায় চড়ে। যার ফলে জগতের কল্যাণ সাধীত হবে।
মন্তব্য করুন