সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের রূপকথার মতো উত্থানের মধ্যদিয়ে দেশের মাটিতে ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। লাল ঢেউয়ে ভেসে গেছে সাতটি সুইংস্টেইট যা কারও কল্পনার মাঝেও ছিলো না। কিন্তু ট্রাম্পের এত বিপুল বিজয়ে জাতীয় নিরাপত্তায় ঝুঁকির আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।এমএসএনবিসি জানিয়েছে, সাবেক প্রেসিডেন্টের আবারও ওভাল অফিসে প্রবেশকে ঘিরে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মাঝে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কারণ এফবিআই ডিরেক্টর ক্রিস্টোফার রে কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হতে পারে বলে সূত্রের বরাতে জানিয়েছে এনবিসি নিউজ।এই পদে কট্টরপন্থী ক্যাশ প্যাটেলকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাছাড়া সিআইএ ও ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের মতো গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের দায়িত্বে কারা আসছেন তা নিয়ে উদ্বেগ–উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
হাউজ ইন্টেলিজেন্স কমিটির সদস্য ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান জশ গটহাইমার আশা করছেন, জাতীয় নিরাপত্তায় কোন ছাড় দেয়া হবে না। এক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি বিশেষ বা দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তাবায়িত হতে দেবে না আইনপ্রণেতারা।রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলছেন,সরকারি কর্মকর্তাদের রক্তে সংবিধান মেনে চলার প্রবণতা মিশে আছে। রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ পাওয়া কর্তাব্যক্তিরা তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করলে প্রশাসনে অচলাবস্থা দেখা দিতে পারে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন,সেনেটে এবং হাউযে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা ট্রাম্পের যেকোন নির্দেশ পালনে প্রস্তুত হয়ে আছেন। সেক্ষেত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রয়োগে প্রেসিডেন্ট ইলেক্টের সামনে তেমন কোন বাঁধা থাকছে না।স্কাই নিউজ অস্ট্রেলিয়া দাবি করছে, চারবছর পর জিওপির নেতৃত্বে আসার কোন পরিকল্পনা হয়তো আছে ডনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের। সেক্ষেত্রে এমন কাউকে প্রশাসনে বসানো যাবে না যিনি ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ক্ষেত্রে কোন হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে।
মন্তব্য করুন