
ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম।’ অর্থাৎ ‘আমাকে সহজ-সরল পথ দেখাও।’ এর মর্মার্থ কি ভেবে দেখেছি? দুনিয়ার ব্যস্ততায় পড়ে আমরা সেই সহজ-সরল পথটিকে দিন দিন জটিল করে তুলছি।
একদিকে হজ্ব আদায় করছি আবার অন্যদিকে ধর্মবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত এমন দ্বৈতআচরণ এখন প্রতিনিয়ত ঘটছে যা একেবারেই অনুচিত। শয়তানের সঙ্গে জেহাদ ঘোষণা করে সেখানে বিজয়ী হতে পারাটাই প্রত্যেক মুসলমানের সঠিক কাজ।
আর সেই সহজ পথও আমাদের চিনিয়ে দিয়েছে আল কোরআন। আমাদের সেই পথে ওত পেতে বসে আছে ইবলিস শয়তান। শয়তানকে পরাস্থ করার সকল অস্ত্র আমাদের থাকা সত্ত্বেও আমরা জয়ী হতে পারছিনা!
সূরা বনি ইসরাঈলের ৯ নাম্বার আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, নিশ্চয়ই এই কোরআন এমন একটি পথ দেখায় যা সবচেয়ে সরল ও মজবুত এবং যে মুমিনরা নেক আমল করে তাদের মহাপুরস্কারের সুসংবাদ দেয়।
কিন্তু আফসোস! আমাদের ইবাদতে প্রেম থাকে না। থাকে না বলেই আমরা নামাজ পড়ে কপালের চামড়া কালো করে ফেললেও প্রভুর সাড়া পাই না। নামাজের পরপরই আমরা জড়িয়ে পড়ি বিভিন্ন অপকর্মে।
অন্তরে আল্লাহর প্রেম নেই বলেই অনেকেই হজ্বের মতো
একদিকে হজ্ব আদায় করছি আবার অন্যদিকে ধর্মবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত এমন দ্বৈতআচরণ এখন প্রতিনিয়ত ঘটছে যা একেবারেই অনুচিত। শয়তানের সঙ্গে জেহাদ ঘোষণা করে সেখানে বিজয়ী হতে পারাটাই প্রত্যেক মুসলমানের সঠিক কাজ। আর সেই সহজ পথও আমাদের চিনিয়ে দিয়েছে আল কোরআন। আমাদের সেই পথে ওত পেতে বসে আছে ইবলিস শয়তান। শয়তানকে পরাস্থ করার সকল অস্ত্র আমাদের থাকা সত্ত্বেও আমরা জয়ী হতে পারছিনা!
মহিমান্বিত ইবাদতেও সেলফিবাজিতে মত্ত হয়ে পড়েন। তাদের হজ্ব স্রষ্টার প্রেমের টানে নয়, স্রেফ নিজেকে হাজী বলে পরিচিত করার মানসে। অথচ নবীজি হজ্বের সফরে বারবার বলতেন- ‘হে আল্লাহ! এ হজ্বে নিজেকে জাহির ও অন্যকে শোনানোর চেষ্টা থেকে পবিত্র রাখ।’
সঠিক পথের সন্ধান তাঁরাই পাবেন- যারা হাজারো বিপদ আপদে আল্লাহ তাআলার প্রতি পরিপূর্ণভাবে আস্থাশীল হয়েছেন। মুখে, মনে এবং কর্মে সমানভাবে ‘সব কিছুই আল্লাহর জন্য; অবশেষে তাঁরই নিকট ফিরে যেতে হবে’ এ বিশ্বাস স্থাপন করেছেন।
মন্তব্য করুন