প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে সাইবার হামলা ও প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপকে ব্যবহার করে প্রতারকরা সহজ-সরল মানুষদের ফাঁদে ফেলছে। মিশিগানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এই প্রবণতা ক্রমবর্ধমান। প্রতারকরা বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করছে, বিশেষ করে সহজ-সরল মুসলমানদেরকে।
প্রতারকদের কৌশল
প্রতারকরা নিজেদের মসজিদের মুফতি বা ইসলামিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচয় দেয়। তারা মুফতি বা ইসলামিক স্কলার সেজে সাধারণ মুসলমানদের ফোন করে এবং ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠান নিয়ে কথা বলে। এরপর তারা হোয়াটসঅ্যাপে একটি গ্রুপে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায় এবং পাসওয়ার্ড চায়। সরল বিশ্বাসে অনেকে এই গ্রুপে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং পাসওয়ার্ড শেয়ার করেন। এই সুযোগে প্রতারকরা তাদের ফোন বা একাউন্ট হ্যাক করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেয়।

অন্য প্রতারণার ধরন
হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারকরা শুধুমাত্র মসজিদ কেন্দ্রিক প্রতারণা করছে না। তারা আরো বিভিন্নভাবে প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে। প্রতারণার কৌশলগুলো হচ্ছে:
প্রতারকরা বন্ধু বা পরিবারের সদস্য সেজে অর্থ সহায়তার আবেদন করে। এ ধরনের বার্তা সাধারণত জরুরি পরিস্থিতির আড়ালে আসে, যা সহজেই মানুষের সহানুভূতি অর্জন করে। কখনো কখনো প্রতারকরা ভুল নম্বরে কল করে বা মেসেজ পাঠায় এবং পরে সম্পর্ক তৈরি করে প্রতারণার চেষ্টা করে। প্রতারকরা কখনো বৈধ কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের ভান করে মেসেজ পাঠায় এবং বলে যে, আপনি লটারি জিতেছেন। এ ধরনের মেসেজে একটি লিংক থাকে, যা প্রতারণামূলক ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। সেখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য বা আর্থিক বিবরণী চেয়ে থাকে, যা প্রতারকরা চুরি করে।
মন্তব্য করুন