২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সারাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয় এবং আওয়ামী সরকার প্রধান দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। তারপর হতে রাজনীতি নতুন মোড় নেয়। ড. ইউনুস দায়িত্ব নেন।
এখন প্রতিদিনই কোনো না কোনো ইস্যু নিয়ে রাজপথে নামছে মানুষ। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি। তৈরি হয়েছে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। যা দেশের রাজনীতিতে তৈরি করেছে অশনি সংকেত। জামায়াত-বিএনপি’র আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে নানা সমস্যা, ইতিমধ্যে জনগণের বিরক্তিও এসেছে এমনসব কর্মকাণ্ডে। সেনাবাহিনী প্রধানও বিরক্তি প্রকাশ করে বিএনপির চাওয়া ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মনে করেন। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। তবে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছে। তারা বারবার অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
জুলাই আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনীতিকে একটি নতুন মোড়ে নিয়ে গেছে।
আগামী দিনের নির্বাচন কতটা অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নির্ভর করছে সরকার, রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচন কমিশনের ওপর। পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতনতার দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে পরিস্থিতি দিন দিন ইউনুস সরকারের নাগালের বাইরে যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাজনীতির আকাশে যে কালো মেঘ জমেছে তা খুব সহসা সরছেনা। কয়েকটি দল দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের পক্ষে, আবার বেশ কয়েকটি দল চাইছে সংস্কার সম্পন্ন করে নির্বাচন এমন সব জটিল সমীকরণে জর্জরিত ইউনুস সরকার। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণও ভুগছেন দ্বিধাদ্বন্ধে ।
মন্তব্য করুন