মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু বলেছেন, কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের ফলে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং তারা অধিক লাভবান হবেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-১ মৌসুমে আউশ ধানের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, কৃষকদের প্রণোদনা দিতে সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এছাড়াও এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি এবং দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলিতে রূপান্তরের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এর মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বড়লেখা উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এএসএম রাশেদুজ্জামান বিন হাফিজের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: মনোয়ার হোসেন। এছাড়াও বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈমা নাদিয়া, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খসরু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস শহীদ খান প্রমুখ।
এ কর্মসূচির আওতায় বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মোট ৬ হাজার ৮শ’ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।প্রত্যেক কৃষক ১ বিঘা জমিতে আউশ চাষের জন্য পাচ্ছেন ৫ কেজি উন্নত জাতের ধান বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার। বিতরণকৃত ধানের জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রি ধান-৪৮, ব্রি ধান-৮৫ এবং ব্রি ধান-৯৮।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, এই প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি, উচ্চ ফলনশীল জাতের সম্প্রসারণ এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা প্রদানই মূল লক্ষ্য। এদিকে বিনামূল্যে সার ও বীজ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা তার জানান, বর্তমান বাজারে সার ও বীজের দাম বাড়তির দিকে থাকায় সরকারের এই সহযোগিতা তাদের চাষাবাদের খরচ কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন