ভারতীয় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানি করবে বাংলাদেশ। এতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। যার একটি অংশ দেবে বিপিসি,…
বার্সেলোনা ও স্পেন জাতীয় দলের হয়ে ১৫০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন লামিনে ইয়ামাল। বয়স মাত্র ১৮। এত অল্প বয়সেই ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় মঞ্চে এমন উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই বিস্ময় জাগাচ্ছে মাঠে তাঁর পারফরম্যান্স সেই বিস্ময়কে আরও গভীর করেছে আর সেখান থেকেই শুরু হয়েছে লিওনেল মেসির সঙ্গে তুলনা—যিনি একইভাবে বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে এসে ক্লাবটির ইতিহাসে কিংবদন্তি হয়ে উঠেছেন। ইয়ামাল কি মেসির সেই পথেই এগোতে পারবেন—এই প্রশ্ন এখন ঘুরছে ফুটবল অঙ্গনে। শুরুটা নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ হলেও, মেসির দীর্ঘদিনের অতিমানবীয় ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই হবে ইয়ামালের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। মেসির উচ্চতায় পৌঁছানো আদৌ সম্ভব কি না, তার উত্তর সময়ই দেবে। তবে এটুকু স্পষ্ট, ফুটবলপ্রেমীরা এখন এক তরুণ প্রতিভার সম্ভাব্য রাজা হয়ে ওঠার যাত্রা প্রত্যক্ষ করছেন। যদিও ইয়ামাল নিজে বারবারই জানিয়েছেন, তিনি মেসির ছায়ায় থাকতে চান না; বরং নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলতে চান। তবুও পরিসংখ্যান সামনে এলে এই তুলনা এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো বয়সের পার্থক্য। ইয়ামাল ১৫০তম ম্যাচ খেলেছেন মাত্র ১৮ বছর বয়সে। বিপরীতে, মেসি ২০০৮ সালে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন ২১ বছর বয়সে অর্থাৎ, একই সংখ্যক ম্যাচের অভিজ্ঞতায় ইয়ামাল মেসির তুলনায় অনেক কম বয়সেই পৌঁছে গেছেন যেখানে ১৮ বছর বয়সে মেসি বার্সেলোনার মূল একাদশে নিজের জায়গা পাকা করার লড়াই করছিলেন, সেখানে ইয়ামাল ইতোমধ্যেই নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের কাতারে নিয়ে এসেছেন। তবে ১৫০ ম্যাচ শেষে পরিসংখ্যানের ব্যবধান খুব বড় নয়। গোলের হিসাবে এগিয়ে মেসি—এই সময়ে তাঁর গোল ছিল ৫৮টি, ইয়ামালের ৪০টি। কিন্তু অ্যাসিস্টে এগিয়ে ইয়ামাল। তাঁর অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৫৭টি, যেখানে মেসির ছিল ৩১টি।গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে মোট গোলে অবদানে ইয়ামাল সামান্য এগিয়ে—৯৭টি, মেসির ছিল ৮৯টি। মিনিটপ্রতি অবদানেও পার্থক্য নগণ্য। ইয়ামাল প্রতি গড়ে ১১২.৮ মিনিটে একটি গোল বা অ্যাসিস্ট করেছেন, মেসি করতেন প্রতি ১১৪.৭ মিনিটে। সংখ্যা সব সময় পুরো গল্প বলে না। তবে কখনো কখনো সংখ্যাই ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দেয়। লামিনে ইয়ামালের ক্ষেত্রে সেই ইঙ্গিত যে জোরালো—তা মানতে দ্বিধা নেই।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে শ্রীনাথপুর আলমাছ উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদায়ী প্রধান শিক্ষক পারভীন সুলতানার বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীনাথপুর এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন…
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসীদের মধ্যে কোন দেশের নাগরিকেরা বেশি সরকারি সহায়তা (ওয়েলফেয়ার) নিচ্ছেন, তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’–এ এই তালিকা তুলে…
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সম্পদ তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করেছে সুইজারল্যান্ড সরকার। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিবিসির এক লাইভ আপডেটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। সুইস সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব সম্পদ যেন দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া না যায়—সে কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ভবিষ্যতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যদি প্রমাণিত হয় যে এসব সম্পদ অবৈধ উপায়ে অর্জিত, তাহলে সেগুলো ভেনেজুয়েলার জনগণের কাছে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।২০১৮ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করে আসছে সুইজারল্যান্ড। এর আওতায় সম্পদ জব্দের পাশাপাশি ৫৪ জন ব্যক্তির ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে। তবে সুইজারল্যান্ডে মাদুরোর ঠিক কত পরিমাণ বা কী ধরনের সম্পদ রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। যদিও ২০২১ সালে একটি সুইস সংবাদপত্রে প্রকাশিত ফাঁস হওয়া নথির বরাতে জানানো হয়, সুইস প্রসিকিউটররা প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থ থাকা একাধিক ব্যাংক হিসাব শনাক্ত করেছেন, যা ভেনেজুয়েলায় সরকারি তহবিল আত্মসাৎ থেকে আসতে পারে বলে সন্দেহ করা হয়। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে ভেনেজুয়েলায় একটি সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে অপহরণ করে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। এই ঘটনার পর রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিভিন্ন শহর, বন্দর ও গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। অধিকাংশ দোকানপাট, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস ও আদালত বন্ধ থাকায় জনজীবন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে রোববার সকালে ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজকে ৯০ দিনের জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা দেয় একই দিন টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ জানান, সেনাবাহিনী দেলসি রদ্রিগুয়েজের নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং জনগণকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানান।