বিভাজন নয় ঐক্য, প্রতিশোধ নয় ক্ষমা এই মূলমন্ত্র হলো তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্লোগান। নতুন বাংলাদেশ হবে, মানুষের চোখে নতুন স্বপ্ন, তারেক রহমানের হাত ধরে পাল্টে যাবে বাংলাদেশ,পাহাড় সম আশা মানুষের মাঝে, এখনও বিএনপি ক্ষমতায় আসেনি তবে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সর্বোচ্চ সম্ভাবনা বিএনপি সরকার গঠন করবে বলে বিভিন্ন জরিপে বলা হচ্ছে ইতিমধ্যে তারেক রহমান ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন যা দেখে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার প্রথম দফায় এক যুগান্তকারী ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
যেখানে বলা হয়েছে- ‘‘প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে সব মত ও পথের সমন্বয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে”। জাতীয়তাবাদকে অগ্রগণ্য রেখে সব মত ও পথকে এক সুতোয় গাঁথার কর্মযজ্ঞ ইতিমধ্যে তারেক রহমান শুরু করেছেন, যার প্রতিফলন তারেক রহমান এর বক্তব্য ও দেশব্যাপী দেশের মানুষকে ৩১ দফার আলোয় আলোকিত করার নানান কর্মসূচির মধ্যে ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। তারেক রহমান তাঁর প্রতিটি বক্তব্যে বারংবার বলছেন- দলীয় নেতাকর্মীকে জনগণের মনকে জয় করতে হবে আর জনগণের মন জিতে নেবার ভেতর দিয়েই বিএনপিকে প্রকৃত অর্থে পরিণত হতে হবে জনগণের দলে। মনে রাখতে হবে, আগামীর বাংলাদেশ হবে- জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলনের ভেতর দিয়ে একটি উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ। যে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তিমূল হিসেবে কাজ করবে বহুল কাঙ্খিত ৩১ দফা। বিগত আওয়ামী সরকারের জেল জুলুম গুম খুন এর বিপরীতে কর্মের মধ্যে প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষনায় তারেক রহমানকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছে প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে ঐক্যের রাজনীতির প্রতি তাঁর আস্থা মানুষের মনে নতুন বাংলাদেশের আশা জাগিয়ে তুলেছে, তারেক রহমানের মাঝে শহীদ জিয়াউর রহমানের ছায়া এবং মা তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা মানুষ খুঁজে পাচ্ছে।
শহীদ জিয়া যেমন ভঙ্গুর অর্থনীতি ও একটা বিধ্বস্ত দেশ নিয়ে যাএা শুরু করে ছিলেন ১৯ দফা কর্মসূচির ঘোষণার মাধ্যমে ঠিক তেমনি বর্তমান বাংলাদেশ, হাসিনা সরকার ও সাংগ পাংগরা মিলে দেশকে লুটেপুটে গিলে খেয়ে পালিয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নাজুক, মূল্যস্ফীতি অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে কয়েক গুন বেশি সব মিলিয়ে বাংলাদেশ আজ ভালো নেই, এই কঠিন বাস্তবতা থেকে দেশকে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার কোন বিকল্প নেই।
শহীদ জিয়া যেমন সাধারন মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কৃষি কাজকে গুরুত্ব দিয়ে ছিলেন কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে ছিলেন, খুব অল্প সময়ে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন জিয়াউর রহমানকে বাস্তবসম্মত নীতির সাথে একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে কৃতিত্ব দেওয়া হয় যিনি বাণিজ্যকে উদারীকরণ এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকে উন্নীত করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে অবদান রেখেছিলেন। তার রাষ্ট্রপতিত্বের সময়, বাংলাদেশ এক নতুন যুগের সুচনা হয় ১৯৭৭ সালের ২২ মে জিয়াউর রহমান তাঁর বিখ্যাত ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ঘোষিত জিয়ার এ ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের জীবন বদলাতে থাকে তেমনি তারেক রহমান ২০২৫ সালে এসে দেশের ক্লান্তিলগ্নে ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ জিয়ার পথ অনুসরণ করেন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন, তবে অতীতে দলের ভুলগুলো শোধরাতে হবে বিএনপিতে অনেক অভিজ্ঞ বিচক্ষণ উচ্চশিক্ষিত স্মার্ট নেতা রয়েছেন তাদেরকে কাজে লাগাতে হবে, বিদেশে পাচার হওয়া মেধাবীদের ফিরিয়ে এনে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে, লুটেরাজ চুর বাটপার দুর্নীতিবাজ-দখলবাজদের কাছ থেকে দলকে রক্ষা করতে হবে কঠোর হাতে দুর্নীতি, লুটপাট বন্ধ করতে হবে বিগত ১৬ বছর দলের জন্য যারা জীবন দিয়েছে ৫ আগস্ট যারা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে পঙ্গুত্ব বরণ করেছে তাদের পরিবারের দায়িত্ব পরবর্তী সরকারকে নিতে হবে।
॥
মন্তব্য করুন