নিউইয়র্ক স্টেট এইচওএসএ-ফিউচার হেলথ প্রফেশনালস কনফারেন্সে প্রথমবার অংশ নিয়েই এআই-মামুর স্কুলের হাইস্কুল টিম ‘কমিউনিটি অ্যাওয়ারনেস’ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে।
এটি নিউইয়র্কের ইতিহাসে প্রথম কোনো মুসলিম হাইস্কুল। যারা এই প্রতিযোি গতায় রাজ্য পর্যায়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। বিজয়ী প্রচারণায় নেতৃত্ব দেন-আফরা আমের, জান্না আরাফা, মায়া উইলসন, নাজনীন আলম, সাফিয়া সারতাজ ও আনিগা দেহভারা। তারা প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের ক্ষতিকর প্রভাব ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরে একটি বহুমাত্রিক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালায়। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ৮৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে পৌঁছে যায়। স্কুল, মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টারে ওয়ার্কশপের মাধ্যমে তারা ১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করে।
এ ছাড়াও, ওয়েবিনার ও ব্রোশিয়ার বিতরণের মাধ্যমে তারা বার্তাটি আরও বিস্তৃত করে। প্রধান শিক্ষিকা আরশীন সাঈদ বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু প্রতিযোগিতা করেনি তারা শিক্ষিত করেছে, অনুপ্রাণিত করেছে এবং ক্ষমতায়ন করেছে। একটি ছোট মুসলিম বেসরকারি স্কুল হিসেবে আমাদের জন্য এটি একটি যুগান্তকারী অর্জন। এআই-মামুর মিডল স্কুলও প্রথমবারের মতো অংশ নিয়ে ‘হেলথ ক্যারিয়ার ডিসপ্লে’ ইভেন্টে গবেষণাভিত্তিক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে এবং রাজ্য পর্যায়ে বিচারকদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও র্যাঙ্কিং লাভ করে । এর ফলে, তারা পরবর্তী মিডল স্কুল অংশগ্রহণক- ারীদের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
সিরাকিউজে আয়োজিত এই সম্মেলনে নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা ২০টিরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। এআই-মামুর স্কুলের এই অভিষেক তাদের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান শিক্ষা ও শিক্ষার্থী নেতৃত্বের প্রতি নিবেদিত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এই জয়ের ফলে, হাইস্কুল টিম আসন্ন আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব নেতৃত্ব সম্মেলনে নিউইয়র্কের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছে, যেখানে তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
মন্তব্য করুন