১৪ জুলাই ২০২৩, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ট্রান্স-অ্যাটলান্টিক সম্পর্কের “সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা”

নেটোর প্রতি সমর্থনের প্রতিধ্বণি তুলে এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের পরিবর্তন মানে ট্রান্স-অ্যাটলান্টিক জোটের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কের অনিশ্চয়তা ইউরোপের এই আশংকার অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউরোপের তিন দেশ সফর সম্পন্ন করেছেন।

বৃহস্পতিবার ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তোর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিন বলেন, “ আমি আপনাদের সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা দিচ্ছি। এ নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। আমার নেটোর সঙ্গে যুক্ত থাকবো, যুক্ত থাকবো শুরুতে, মাঝখানে এবং শেষেও । আমরা ট্রান্সঅ্যাটলান্টিকের অংশীদার”।

বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে উভয় দলের “পূর্ণাঙ্গ সমর্থন” ‘এর কথা পুনর্ব্যক্ত করেন , “এ কথা সত্বেও যে একটি দলের মধ্যে কিছু উগ্রবাদী লোকতো রয়েছেই”।

মনে হয় তিনি কোন কোন রিপাবলিকানের বিচ্ছিন্নতা থাকার কথা বলছিলেন যারা বাাইডেনের পূর্বসূরি ডনাল্ড ট্রাম্পের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির অনুসারি। ট্রাম্প নেটোর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং ২০১৭ সালে এই জোটকে এখনকার উপযোগী নয় বলে মন্তব্য করেন।

বাইডেন বলেন, “ আমেরিকার জনগণ জানেন ম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবং নেটো গঠনের পর আমাদের নিরাপত্তা নির্ভর করছে ইউরোপীয় ও ট্রান্সঅ্যাটল্যান্টিক অংশীদারদের অভিন্নতার উপরে”।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে ট্রান্সঅ্যাটলান্টিক ঐক্য সম্পর্কে বাইডেনের এই নিশ্চয়তা, গতবার যখন একজন আমেরিকান নেতা ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে বক্তব্য রেখেছিলেন তা থেকে উল্লেখযোগ্য ভাবে ভিন্ন।

লিথুয়েনিয়ার ভিলিনিয়াসে অনুষ্ঠিত দু দিন ব্যাপী নেটো শীর্ষ সম্মেলন থেকে এসে বাইডেন নিনিস্তোকে নিশ্চয়তা দেন যে নেটোর এই নবীন ও ৩১তম সদস্যের প্রতি এই জোটের প্রতিশ্রুতি “ লৌহ দৃঢ়”।

বাইডেন বলেন নেটো সদস্যরা একতাবদ্ধ এবং রাশিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করতে একতাবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, “ ইউক্রেনকে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য নিরাপত্তার প্রতিশ্রতি দিতে আমরা দেশটির নেটো সদস্যপদ চূড়ান্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবো না।তিনি একটি নতুন পরিকাঠামোর কথা উল্লেখ করেন যাতে এখন এবং যুদ্ধের পর কিয়েভের প্রয়োজন মেটানো যায়। সেই পরিকাঠামো বুধবার তুলে ধরে জি-সেভেন যার মধ্যে রেয়েছ জাপানও। জি-সেভেনের সদস্যদের মধ্যে জাপানই হচ্ছে একমাত্র দেশ যে নেটোর সদস্য নয়।

এই পরিকাঠামোতে রয়েছে, রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধ পর্যন্ত ইউক্রেনের সুরক্ষার জন্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান এবং জোটের মান অনুযায়ী কিয়েভের সংস্কার সাধন। সংস্কার সাধন আর সংঘাতের অবসান হচ্ছে ইউক্রেনের নেটোতে যোগ দেয়ার শর্ত। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেন্সকি এই সব শর্ত মেনে নিয়েছেন।

বাইডেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্পর্কেওকঠোর বাস্তবতা তুলে ধরেন, বলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট , “ এই যুদ্ধে ইতোমধ্যেই হেরে গেছেন”।

যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জলপথ সচল করতে জাতিসংঘে হরমুজ নিয়ে প্রস্তাব

বড়লেখায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬

যুক্তরাষ্ট্রে স্পিরিট এয়ারলাইন্স বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী

চীনা নাগরিকদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বড়লেখা থানার মো. মনিরুজ্জামান খান

মিশিগানে আমেরিকান ডাইভার্সিটি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে রেকর্ড ভিড়, কোর্টজুড়ে বৈচিত্র্যের উৎসব

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বই মেলা-২০২৬ এ সংহতি প্রকাশে মিশিগানের প্রাক্তন ছাত্রলীগ কর্মীবৃন্দ

আন্তর্জাতিক চিকিৎসকদের জন্য স্বস্তি, ৩৯ দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের

মিশিগানে বাংলাদেশি কমিউনিটি অগ্রযাত্রায় রয়েছে বিপুল সম্ভাবনা, আছে বহুমুখী সংকট

ট্রাম্পের ট্রাভেল ব্যানে যুক্তরাষ্ট্রে ওপিটি সংকটে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা

১০

মিশিগানের হল্যান্ড শহরে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব ১৪৩৩ উদযাপন

১১

বড়লেখায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ, আটক ১

১২

৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকায় বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি

১৩

অপরাধ প্রমাণিত হলে হতে পারে মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থীর সন্দেহভাজন খুনির জামিন হয়নি

১৪

চারদিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজন নিউ ইয়র্কে বাংলা বইমেলা

১৫

বাড়ছে সহিংসতা ও বিতর্ক ‘গুপ্ত’ ইস্যুতে রাজনীতি উত্তপ্ত

১৬

মেট্রো ডেট্রয়েটে বাংলাদেশি কমিউনিটির উত্থান, অর্থনীতি ও আবাসনে নতুন শক্তি

১৭

মে দিবস: শ্রমের মর্যাদা, ন্যায্যতা ও আমেরিকান চেতনার পুনঃপাঠ

১৮

যুক্তরাষ্ট্রে হুমকির মুখে নিরাপত্তা সহিংসতার লাগাম টানা জরুরি

১৯

সকালের ৪ ভুলেই বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

২০