জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৭৬ রান। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা শুরু থেকেই ম্যাচটিকে একপেশে করে দেন। প্রথম চার ওভারেই আসে ৬২ রান—সেখানেই মূলত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১৭ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে তারা। আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে তিন ম্যাচেই পূর্ণ জয় তুলে সুপার এইটের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল প্রোটিয়ারা।
ঝড়ো সূচনার পর রান তাড়া সহজ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য। যদিও ১৩ বলে ২০ রান করে কুইন্টন ডি কক ফিরলে পঞ্চম ওভারেই ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তবে অন্য প্রান্তে অধিনায়ক এইডেন মার্করাম ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। মাত্র ১৯ বলেই তুলে নেন অর্ধশতক, যা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্রুততম ফিফটি। ৪৪ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ম্যাচ শেষ করেই মাঠ ছাড়েন তিনি। মার্করামের ঝোড়ো ইনিংসে ৭.৩ ওভারেই দলীয় শতক পূর্ণ করে দক্ষিণ আফ্রিকা—বিশ্বকাপ ইতিহাসে যা তৃতীয় দ্রুততম দলীয় একশ। এরপর আর লক্ষ্য ছোঁয়া ছিল সময়ের অপেক্ষা।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড শুরুটা দারুণ করেছিল। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে তোলে ৮৩ রান, যদিও হারায় তিন উইকেট। ১৪ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৮। কিন্তু মাঝের ধসেই ভেঙে পড়ে কিউই ইনিংস। মাত্র ৭ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে গতি হারায় দলটি। শেষ পর্যন্ত মার্ক চাপম্যানের ২৬ বলে ৪৮ রানের ইনিংসই ছিল সর্বোচ্চ অবদান।দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বল হাতে দারুণ ছিলেন মার্কো ইয়ানসেন, শিকার করেন চার উইকেট। সুপার এইটের পথে এখন আত্মবিশ্বাসে টইটম্বুর দক্ষিণ আফ্রিকা।
মন্তব্য করুন