দেব রায় সৌমেন
৩১ অগাস্ট ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

মাদার তেরেসা: মানবতার সেবায় নিবেদিত এক মহাজীবনের গল্প

পৃথিবীর ইতিহাসে কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের পরিচয় কোনো পদবি, ক্ষমতা কিংবা সম্পদের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় না। তাঁরা পরিচিত হন তাঁদের হৃদয়ের বিশালতা, মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং নিঃস্বার্থ কর্মের মাধ্যমে। তাঁরা চলে গেলেও তাঁদের জীবন হয়ে ওঠে এক অনন্ত প্রেরণার উৎস। মাদার তেরেসা ছিলেন তেমনই একজন মানুষ- যাঁর হাতে ছিল না কোনো অস্ত্র, ছিল না কোনো রাজনৈতিক ক্ষমতা, ছিল না কোনো সাম্রাজ্যের অধিকার; কিন্তু ছিল এমন এক হৃদয়, যেখানে পৃথিবীর অসহায় মানুষের জন্য ছিল সীমাহীন মমতা।

 

তিনি প্রমাণ করেছিলেন, একজন মানুষ চাইলে শুধু নিজের জীবন নয়, সমগ্র মানবতার ইতিহাসকেও স্পর্শ করতে পারেন। একজন সাধারণ নারী কীভাবে ভালোবাসা, ত্যাগ এবং সেবার মাধ্যমে কোটি মানুষের আশা হয়ে উঠতে পারেন মাদার তেরেসার জীবন তারই এক অসাধারণ উদাহরণ। ২৬ আগস্ট ১৯১০। তৎকালীন অটোমান সাম্রাজ্যের স্কোপিয়ে শহরে জন্মগ্রহণ করেন অ্যাগনিস গঞ্জা বোজাঝিউ। আলবেনীয় বংশোদ্ভূত একটি সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া এই শিশুটি ভবিষ্যতে পৃথিবীর অন্যতম শ্রদ্ধেয় মানবসেবী হিসেবে পরিচিত হবেন এ কথা তখন কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কিন্তু শৈশব থেকেই তাঁর মধ্যে ছিল এক গভীর সংবেদনশীলতা। অন্যের কষ্ট তাঁকে ভাবিয়ে তুলত, অসহায় মানুষের প্রতি তাঁর হৃদয় সহজেই আকৃষ্ট হতো।

 

ছোটবেলায় তিনি পরিবার থেকে শিখেছিলেন ভালোবাসা, দানশীলতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা। তাঁর মা দ্রানা বোজাঝিউ তাঁকে প্রায়ই বলতেন, “যখন তুমি কারও জন্য ভালো কিছু করবে, তখন মনে রেখো, তুমি ঈশ্বরের জন্যই তা করছ।” এই শিক্ষা পরবর্তীকালে তাঁর সমগ্র জীবনদর্শনের ভিত্তি হয়ে ওঠে। মাত্র ১২ বছর বয়সেই অ্যাগনিসের মনে ধর্মীয় সেবার প্রতি গভীর আগ্রহ তৈরি হয়। আর ১৮ বছর বয়সে তিনি জীবনের এক কঠিন সিদ্ধান্ত নেন-পরিবার, পরিচিত পরিবেশ এবং নিজের স্বাভাবিক জীবনের নিরাপত্তা ছেড়ে তিনি বেছে নেন মানুষের সেবার পথ। তিনি যোগ দেন লোরেটো সিস্টার্সের সঙ্গে এবং একজন মিশনারি হিসেবে নতুন জীবন শুরু করেন।

 

১৯২৯ সালে তিনি ভারতে আসেন। এই ভারতই পরবর্তীকালে হয়ে ওঠে তাঁর কর্মভূমি, তাঁর পরিচয়ের কেন্দ্র এবং তাঁর ভালোবাসার ঠিকানা। কলকাতায় এসে তিনি লোরেটো কনভেন্ট স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। সেখানে তিনি বহু বছর ধরে তরুণীদের শিক্ষা দিয়েছেন। একজন শিক্ষিকা হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। কিন্তু শ্রেণিকক্ষের চার দেয়ালের বাইরের পৃথিবী তাঁকে ক্রমেই অস্থির করে তুলছিল। কলকাতার রাস্তায় তিনি প্রতিদিন দেখতেন মানুষের অসহায় জীবন। কেউ ক্ষুধার্ত, কেউ রোগাক্রান্ত, কেউ পরিবারহীন, কেউ মৃত্যুর অপেক্ষায় ফুটপাতে পড়ে আছে। একদিকে ছিল শিক্ষিত ও স্বচ্ছল মানুষের জীবন, অন্যদিকে ছিল চরম দারিদ্র্যের নির্মম বাস্তবতা। এই বৈপরীত্য তাঁর হৃদয়ে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করে।

 

১৯৪৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তাঁর জীবনে আসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দার্জিলিং যাওয়ার পথে ট্রেনে তিনি অনুভব করেন, তাঁর জীবনের প্রকৃত আহ্বান হচ্ছে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে গিয়ে তাঁদের সেবা করা। তিনি পরে এটিকে “call within a call” বা “আহ্বানের ভেতরে আরেক আহ্বান” হিসেবে বর্ণনা করেন। এই সিদ্ধান্ত সহজ ছিল না। কারণ এর অর্থ ছিল পরিচিত নিরাপদ জীবন ছেড়ে অনিশ্চয়তার পথে যাত্রা। একজন শিক্ষিকা থেকে তাঁকে হতে হয়েছিল একজন সাধারণ সেবিকা। তিনি আরাম ছেড়ে বেছে নিয়েছিলেন কষ্ট, নিরাপত্তা ছেড়ে বেছে নিয়েছিলেন সংগ্রাম।

 

 

 

১৯৪৮ সালে তিনি কনভেন্টের জীবন ছেড়ে সরাসরি কলকাতার বস্তি এলাকায় কাজ শুরু করেন। তখন তাঁর কাছে ছিল না বড় কোনো প্রতিষ্ঠান, ছিল না অর্থ বা সম্পদ। ছিল শুধু মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং একটি বিশ্বাস- প্রত্যেক মানুষ ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য। তিনি সাধারণ সাদা শাড়ি পরিধান করে রাস্তায় নেমে পড়েন। এই সাদা-নীল পাড়ের শাড়িই পরবর্তীকালে তাঁর পরিচয়ের প্রতীক হয়ে ওঠে। প্রথম দিকে তাঁর পথ ছিল অত্যন্ত কঠিন। অনেক সময় তাঁকে খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর জন্য মানুষের কাছে সাহায্য চাইতে হয়েছে। কিন্তু তিনি থামেননি। তিনি একটি ছোট স্কুল দিয়ে কাজ শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে অসুস্থ, দরিদ্র ও পরিত্যক্ত মানুষের সেবা শুরু করেন।

 

১৯৫০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন “মিশনারিজ অব চ্যারিটি”। এই প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো- যারা ক্ষুধার্ত, অসুস্থ, গৃহহীন এবং যাদের দেখার মতো কেউ নেই। মাদার তেরেসার কাছে দারিদ্র্য শুধু অর্থের অভাব ছিল না। তিনি মনে করতেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য হলো- ভালোবাসাহীনতা এবং অবহেলা। একজন মানুষ যখন অনুভব করে যে তাকে কেউ চায় না, কেউ ভালোবাসে না, তখন তার কষ্ট আরও গভীর হয়ে ওঠে।

 

এই দর্শন থেকেই তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক অসাধারণ মানবিক আন্দোলন। ১৯৫২ সালে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন “নির্মল হৃদয়” আশ্রম। এখানে এমন মানুষদের আশ্রয় দেওয়া হতো, যারা রাস্তার পাশে মৃত্যুর অপেক্ষায় পড়ে থাকতেন। সমাজ যাদের ভুলে গিয়েছিল, মাদার তেরেসা তাঁদের কাছে গিয়েছেন। তিনি তাঁদের শরীরের ক্ষত পরিষ্কার করেছেন, তাঁদের খাবার দিয়েছেন, তাঁদের শেষ মুহূর্তে ভালোবাসা দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, মৃত্যুর মুহূর্তেও একজন মানুষ সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখে। একজন মানুষ যেন পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার আগে অন্তত একবার অনুভব করতে পারে- “আমি গুরুত্বপূর্ণ, আমি ভালোবাসা পেয়েছি।”

 

পরবর্তীকালে মিশনারিজ অব চ্যারিটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়। অনাথ শিশুদের জন্য আশ্রম, অসুস্থদের জন্য চিকিৎসা কেন্দ্র, কুষ্ঠরোগীদের জন্য সেবা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে থাকে। ১৯৫৫ সালে তিনি পরিত্যক্ত শিশুদের জন্য “নির্মলা শিশু ভবন” প্রতিষ্ঠা করেন। ধীরে ধীরে তাঁর কাজ ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মিশনারিজ অব চ্যারিটির কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

মাদার তেরেসার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তাঁর সরলতা। তিনি নিজে খুব সাধারণ জীবনযাপন করতেন। তাঁর পোশাক ছিল সাধারণ, তাঁর জীবন ছিল সাদামাটা। অথচ তাঁর চিন্তা ছিল অসাধারণ বড়। তিনি বলতেন, “আমরা সবাই বড় কাজ করতে পারি না, কিন্তু আমরা ছোট কাজগুলো বড় ভালোবাসা দিয়ে করতে পারি।”

 

এই একটি বাক্যের মধ্যেই যেন তাঁর পুরো দর্শন লুকিয়ে আছে। তিনি মনে করতেন, পৃথিবী পরিবর্তন শুরু হয় ছোট ছোট মানবিক কাজ থেকে। একজন ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার দেওয়া, একজন অসুস্থ মানুষের হাত ধরে পাশে থাকা, একজন একাকী মানুষের সঙ্গে কয়েক মিনিট কথা বলা- এসব ছোট কাজই মানবতার সবচেয়ে বড় প্রকাশ। ১৯৭৯ সালে মাদার তেরেসা লাভ করেন নোবেল শান্তি পুরস্কার। দারিদ্র্য ও অসহায় মানুষের জন্য তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়।

 

নোবেল পুরস্কার গ্রহণের সময়ও তাঁর চিন্তা ছিল দরিদ্র মানুষদের নিয়ে। তিনি প্রচলিত আনুষ্ঠানিক ভোজের পরিবর্তে সেই অর্থ দরিদ্র মানুষের জন্য ব্যবহারের অনুরোধ করেন। তবে একজন বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্বের মতো তাঁর জীবনও সবসময় সমালোচনার বাইরে ছিল না। তাঁর প্রতিষ্ঠানের কাজের পদ্ধতি, চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। একজন বড় মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাঁর কাজ নিয়ে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনি সমালোচনাও হয়েছে। কিন্তু এটিও সত্য যে, তাঁর জীবনের মূল অংশ কেটেছে সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে।

 

৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭। কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মাদার তেরেসা। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে একটি জীবনের সমাপ্তি ঘটে, কিন্তু তাঁর আদর্শের মৃত্যু হয়নি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো আজও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের সেবা করে যাচ্ছে। ২০১৬ সালে তাঁকে ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে সন্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং তিনি “সেন্ট তেরেসা অব কলকাতা” নামে পরিচিত হন। মাদার তেরেসার জীবন আমাদের সামনে একটি গভীর প্রশ্ন রেখে যায়- মানুষ হিসেবে আমাদের প্রকৃত পরিচয় কী? আমরা কত সম্পদ অর্জন করলাম, কত ক্ষমতা পেলাম, নাকি কত মানুষের জীবনে সামান্য আলো ছড়াতে পারলাম?

 

তিনি দেখিয়েছেন, পৃথিবী বদলানোর জন্য সবসময় বিশাল শক্তির প্রয়োজন হয় না। একটি ভালোবাসাপূর্ণ হৃদয়, একটি সাহায্যের হাত এবং একজন মানুষের প্রতি আন্তরিক সহানুভূতিই অনেক বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। ইতিহাসে অনেক মানুষ আছেন, যারা যুদ্ধ জয় করেছেন, রাজ্য জয় করেছেন, ক্ষমতার শিখরে পৌঁছেছেন। কিন্তু মাদার তেরেসার বিজয় ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন।

 

তাঁর কোনো সেনাবাহিনী ছিল না, কিন্তু তাঁর ভালোবাসা কোটি মানুষের কাছে পৌঁছেছিল। তাঁর কোনো সাম্রাজ্য ছিল না, কিন্তু তাঁর মানবিকতার প্রভাব পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল।মাদার তেরেসা শুধু একজন সমাজসেবী নন; তিনি ছিলেন মানবতার এক জীবন্ত প্রতীক। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন- একজন মানুষও পৃথিবীর জন্য আশার আলো হতে পারেন। যতদিন পৃথিবীতে অসহায় মানুষ থাকবে, যতদিন ভালোবাসার প্রয়োজন থাকবে, যতদিন মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখবে, ততদিন মাদার তেরেসার নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হবে। কারণ কিছু মানুষ কখনো শুধু ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকেন না। তাঁরা হয়ে ওঠেন মানবতার বিবেক।

 

মাদার তেরেসা তেমনই একজন মানুষ- যাঁর জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষা হলো ভালোবাসা, আর সবচেয়ে বড় ধর্ম হলো মানবতা।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মানবকল্যাণে দুই মহান বিজ্ঞানী: ব্যারি কমনার ও নরম্যান বোরলগ

এইচ-১বি ভিসায় ১ লাখ ৩ হাজার ডলারের বেশি অতিরিক্ত ফি প্রস্তাব

মাদার তেরেসা: মানবতার সেবায় নিবেদিত এক মহাজীবনের গল্প

এইচ-৪ ভিসাধারীদের ওয়ার্ক পারমিট বাতিলের উদ্যোগ, অনিশ্চয়তায় প্রবাসী পরিবার

অভিবাসী অভিযানে রোবট কুকুর ব্যবহারের পরিকল্পনা আইসিইর

বিশেষজ্ঞদের বিচারে ‘নিকৃষ্ট প্রেসিডেন্ট’ নিজেকে সেরা দেখিয়ে ট্রাম্পের চার্ট

‘স্মৃতির পথে ৪৮ বছর’ সাংবাদিকতার  অনন্য দলিল -ভিসি ড. জহিরুল হক

এইচ-১বি ভিসাধারীদের চাকরি শেষে ৬০ দিন থাকার সুযোগ বাতিলের পথে ট্রাম্প প্রশাসন

অভিবাসন কার্যক্রমে আইসকে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতা বন্ধ নিউইয়র্কে

বড়লেখা সীমান্তে বিদেশি অস্ত্র ও মাদকসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

১০

নাগরিকত্ব আবেদনকারীদের বিষয়ে প্রতিবেশী ও কর্মস্থলে তদন্ত করতে পারবে USCIS

১১

১৮ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর হচ্ছে নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নিয়ম

১২

লেক অন্টারিওর নাম বদলে ‘লেক আমেরিকা’, ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্ত

১৩

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের জবাবে ৫০ শতাংশ পালটা শুল্ক কানাডার

১৪

কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তির মামলা, ১৭ বিলিয়ন ডলারের সমঝোতা মেটার

১৫

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫০ হাজার গ্রেপ্তার

১৬

২০২৭ সালে সোশ্যাল সিকিউরিটি ভাতা বাড়তে পারে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ

১৭

মিশিগানে হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজের সাবেক ভিপি নজমুল আজিজকে সংবর্ধনা

১৮

বিশ্বজুড়ে ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট কার্যক্রম বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

১৯

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড প্রত্যাশী বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর

২০