যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কর্তৃপক্ষ মিশিগানের একটি বড় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ উঠেছে, এক কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে কারণ তিনি ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে রোগীদের পছন্দের সর্বনাম (preferred pronouns) ব্যবহার করতে এবং “লিঙ্গ বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রক্রিয়া”তে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (HHS) নাগরিক অধিকার বিষয়ক দপ্তর (Office for Civil Rights – OCR) ২০ জুন শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ঐ কর্মী এই কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার জন্য ধর্মীয় কারণে ছাড় (accommodation) চেয়েছিলেন। তদন্তাধীন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়নি। OCR পরিচালক পলা এম. স্ট্যানার্ড এক বিবৃতিতে বলেন, “OCR স্বাস্থ্যসেবায় ফেডারেল বিবেক আইন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের উচিত তাদের পেশা ও ধর্মীয় বিশ্বাস একসাথে পালন করতে পারা।”
এই বিবেক-সংরক্ষণ আইনসমূহ, যা সম্মিলিতভাবে “চার্চ সংশোধনী” নামে পরিচিত, নিশ্চিত করে যে কোনো ব্যক্তি, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বা সেবা প্রদানকারী যেন সরকার বা সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে ধর্মীয় বিশ্বাস বা নৈতিক মূল্যবোধ অনুসরণ করার কারণে বৈষম্যের শিকার না হয়। ফেডারেল কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখবেন, ওই কর্মী কি তাঁর সংবিধান-সুরক্ষিত অধিকার প্রয়োগ করার কারণে বরখাস্ত হয়েছেন- বিশেষ করে, কেবলমাত্র রোগীর জৈবিক লিঙ্গ অনুযায়ী সর্বনাম ব্যবহার করতে চাওয়া এবং লিঙ্গ পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় অংশ না নিতে চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে।
স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ জানায়, এটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদে তৃতীয় তদন্ত যা স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের বিবেক ও ধর্মীয় অধিকারের সুরক্ষা বিষয়ক আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে চালানো হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “আজকের ঘোষণা এই বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ, যার লক্ষ্য হলো বিবেক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা সংক্রান্ত আইনের বাস্তবায়ন জোরদার করা।”
মন্তব্য করুন