পহেলা ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস। এ রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে অনেকেরই জানা আছে। তবে সমাজের প্রতিটি স্তরে আজও গড়ে ওঠেনি সচেতনতা। এইচআইভি ভাইরাস দিয়ে সংক্রমিত হলে শেষ পর্যায়ে আক্রান্তের মধ্যে যে উপসর্গগুলো দেখা দেয়, সেগুলোকেই সমন্বিতভাবে বলে ‘এইডস’।
জীবনাচরণের কোন কোন বিষয় প্রাণঘাতী এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায় কিংবা কোন কোন লক্ষণ দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন, সে সম্পর্কে সবারই জানা উচিত।
এইডস প্রতিরোধে সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকুন।
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এইডসের ঝুঁকি বাড়ায়।
এইডস ছাড়াও অন্যান্য যৌনবাহিত রোগ প্রতিরোধে কনডম ব্যবহার ভালো অভ্যাস। মনে রাখবেন, অন্য কোনো যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও এইডস হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক আচরণ বজায় রাখুন। অস্বাভাবিক যৌন আচরণ থেকে বিরত থাকুন।
একবার ব্যবহৃত সিরিঞ্জ বা নিডল পুনরায় ব্যবহার করবেন না।
অন্যের ব্যবহৃত ব্লেড বা রেজার ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। সেলুনে গিয়ে দাড়ি ছাঁটার প্রয়োজন হলে অবশ্যই এ বিষয় নিশ্চিত করুন। অন্যের ব্যবহৃত কাঁচি দিয়ে চুল কাটাতে হলে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে, যাতে সেই কাঁচি দিয়ে আপনার কেটে-ছিঁড়ে না যায়।
মন্তব্য করুন