কামাল হোসেন
৩০ জুলাই ২০২৫, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

দেশ-বিদেশে শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের পথিকৃৎ মহসিন উদ্দিন

শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে নিজেকে নিবেদন করেছেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষ মোহাম্মদ মহসিন উদ্দিন। একজন প্রগতিশীল শিক্ষা উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি শুধু নিজ দেশেই নয়, দেশের বাইরে প্রবাসেও প্রতিষ্ঠা করেছেন একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তার উদ্যোগ ও দূরদর্শী চিন্তাধারা নতুন প্রজন্মের মাঝে জাগিয়েছে শিক্ষার প্রতি ভালোবাসা ও সচেতনতা। শিক্ষা খাতে অব্যাহতভাবে কাজ করে তিনি হয়ে উঠেছেন আলোকিত একজন পথপ্রদর্শক। আজও তিনি নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন একটি জ্ঞানভিত্তিক, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে।

 

ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত পরিচিতি:

আপনার জন্মস্থান ও বেড়ে ওঠা কোথায়?

আমি মোহাম্মদ মহসিন উদ্দিন, নিজেকে একজন শিক্ষা উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দবোধ করি। আমার জন্ম বাংলাদেশের শরিয়তপুর জেলার ভেদরগন্জ উপজেলার কাঁচিকাটা ইউনিয়নের নদী বেষ্টিত চর অঞ্চলে।

 

আপনার শিক্ষা জীবন কেমন ছিল? কোন বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করেছেন?

গ্রামের একটি অতি সাধারণ পরিবেশে বেড়ে উঠা থেকেই আমার মনের মধ্যে উচ্চাকাঙ্খা জাগে বড় হবার, দেশের জন্য কাজ করার। গ্রামে প্রায় ৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও কোনো হাই স্কুল না থাকায় ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে আমি ঢাকায় আসি পড়াশোনার উদ্দেশ্যে। মতিঝিল T and T High School থেকে এসএসসি এবং Dhaka City College থেকে এইচএসসি পাশ করে স্বপ্ন দেখি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। আমার অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রম আমাকে সুযোগ করে দেয়।

মার্কেটিং এ অনার্স ১ম বর্ষে অধ্যয়নের মধ্যেই English Language-এ দক্ষতা অর্জন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্সের মাধ্যমে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করে Spoken English Teacher হিসেবে ১৯৯১ সালে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করি। একটি মজার বিষয় হলো, আমার ১ম ব্যাচে ১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১০ জনই আমার চেয়ে উপরের ক্লাসের পড়–য়া ছাত্র। এরপর ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্নভাবে শিক্ষকতায় নিজেকে সম্পৃক্ত করি। ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমার মার্স্টাস সম্পন্ন করি (মার্কেটিং)। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে MBA পড়ার জন্য আমি লন্ডনে যাই।

 

পেশাগত অভিজ্ঞতা ও পথচলা:

কীভাবে আপনার পেশাগত জীবন শুরু হয়?

আমি লন্ডনে MBA সম্পন্ন করার পর, ২০০৩ সালে ৪ জুলাই London Metrocity College UK প্রতিষ্ঠিত করি। এটি একটি ইন্টারন্যাশনাল ছাত্র-ছাত্রীদের কলেজ। বিভিন্ন দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে প্রফেশনাল কারণে মিশতে গিয়ে দেখলাম আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যসব দক্ষতা বেশি থাকলেও ইংলিশ কমিউনিকেশনে তারা খুবই দূর্বল । সে কারণে ইংরেজি শেখানোর কার্যক্রম আর বন্ধ হয়নি।

Lonon Education For Development UK নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করি ২০০২ সালে। শিক্ষা উন্নয়নে বিভিন্ন সমস্যাগুলো তুলে ধরে কেমন করে তা সমাধান করা যায় সেটাই এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য।

ইতিমধ্যে আমি UK Government এর বিভিন্ন সেকশনে যেমন ইমিগ্রেশন, লোকাল গভর্ণমেন্ট, হেলথ সেক্টরে কাজ করার যোগ্যতা হিসেবে Diploma in Public Service Interpreting (DPSI) হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি। দেশের মানুষের প্রতি ঋণ শোধের তাড়নায় বাংলাদেশে কিছু করতে হবে এ বোধ থেকে আমার গ্রামের বাড়ি কাঁচিকাটায় নিজস্ব অর্থায়নে আমার বাবা ও মায়ের নামে ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত করি। জোহরা-কাদির উচ্চ বিদ্যালয়। গ্রামের সাধারণ ছেলে-মেয়ে বাড়িতে থেকে এসএসসি পরিক্ষা দিতে পারবে সেটা তাদের জন্য যেন এক অপার আনন্দের। UK শিক্ষাব্যবস্থা ও উন্নত নিয়মকানুন গুলো বাংলাদেশের শিশুদের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরে ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত করি Oxford Breeze School. ২০১৭ সালে জোহরা-কাদির স্কুলকে আরেক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত করি জোহরা-কাদির কলেজ। গ্রামের শিশুদেরকে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে চালানোর জন্য ২০১৬ সালে গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করি Mohsin Uddin International School.

শিশুদের ক্রিয়েটিভিটি ও বুদ্ধিমত্তাকে অনেক বেশি প্রসারিত করার উদ্দেশ্যে ২০১৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত করেছি Smart Kids Interactive School. করোনাতে যখন সারা পৃথিবী লন্ডভন্ড তখন ঘরে বসে স্পোকেন ইংলিশ শেখার প্লাটফর্ম  হিসেবে Mohsin’s Smart English Learning প্রতিষ্ঠিত করেছি। Mohsin’s Smart English Learning এর মাধ্যমে দেশে বিদেশে বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীরা অনলাইন ও ক্যাম্পাস এ স্পোকেন ইংলিশ শিখছে দক্ষতার সাথে। যেহেতু আমার দীর্ঘ বছর লন্ডনে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেহেতু Mohsin’s Smart English Learning এর প্রতিটি শিশু অত্যন্ত সহজ ভাবে শিখে যায় বিদেশি সমমানের ইংরেজি।

২০২৪ সালে Amol Islamic International School নামে একটি শিশু শিক্ষার স্কুল প্রতিষ্ঠিত করি। আমার এই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শত মানুষের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করতে পেরে আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

 

 

শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহ কীভাবে তৈরি হয়?

ছোটবেলা থেকেই ভালো শিক্ষকদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি। তারা শুধু পাঠ্যবই শেখাননি, জীবনের দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন। সেই জায়গা থেকেই মনে হয়েছে, আমিও চাই এমন একজন শিক্ষক হতে, যিনি শুধু পাঠ নয়, মূল্যবোধও গড়ে তুলবেন শিক্ষার্থীদের মাঝে।

 

আপনি যেসব প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন, তার পেছনের অনুপ্রেরণা কী ছিল?

আমার পেশাগত জীবনের শুরু হয় শিক্ষকতা দিয়ে, ছোট পরিসরে টিউশন করাতে করাতে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আগ্রহ দেখে আমি অনুপ্রাণিত হই। তখনই বুঝি, এই পেশার মাধ্যমে আমি সবচেয়ে বেশি মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারি। আমি সবসময় এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চেয়েছি, যেখানে শিক্ষার্থীরা সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি ও নৈতিকতা এই তিনটির সমন্বয়ে শিক্ষা পাবে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে শূন্যতা দেখেছি, তা পূরণ করতেই আমি একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি।

 

 

একজন শিক্ষক ও উদ্যোক্তা হিসেবে কীভাবে সময় ভাগ করেন?

সময় ব্যবস্থাপনা আমার জীবনের অন্যতম মূলনীতি। আমি নির্দিষ্ট সময়কে ভাগ করে কাজ করি—শিক্ষা, প্রশাসন এবং সমাজসেবার জন্য আলাদা সময় নির্ধারিত থাকে। একটি পরিকল্পিত রুটিন অনুসরণ করেই আমি কাজগুলো সমন্বয় করি।

 

প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগ সম্পর্কিত

আপনি যে প্রতিষ্ঠানগুলোর সিইও/ফাউন্ডার, সেগুলো কী ধরনের কাজ করে?

আমার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, এবং সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে নিয়োজিত। এর মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান প্রবাসী কমিউনিটির জন্য বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষা দিচ্ছে, আবার কিছু প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষার প্রসারে কাজ করছে।

 

এই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠার সময় কী কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে?

প্রথমদিকে জনবল, অর্থায়ন এবং উপযুক্ত শিক্ষকের অভাব বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে সৎ উদ্দেশ্য, পরিশ্রম এবং কমিউনিটির ভালোবাসার কারণে ধীরে ধীরে সব বাধা পার হয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠানগুলোর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে- গুণগত শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া, ডিজিটাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা, এবং কমিউনিটির শিক্ষা ও নৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখা। ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

আপনার দৃষ্টিতে শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ভূমিকা কী?

প্রযুক্তি শিক্ষার ভবিষ্যৎ। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে প্রযুক্তি শিক্ষাকে আরও কার্যকর, আকর্ষণীয় এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে পারে। আমি সবসময় শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের পক্ষে কাজ করেছি।

বর্তমান সময়ে প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। অন্যথায় প্রযুক্তির এই যুগে তারা অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর উচিত বিশ্বমানের করে নিজেকে গড়ে তোলা।

 

ব্যক্তিগত উপলব্ধি ও ভবিষ্যৎ ভাবনা:

আপনার সবচেয়ে বড় সাফল্য কোনটি বলে মনে করেন?

আমার সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো একঝাঁক শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্যোক্তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারা। তাদের সফলতা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।

 

 

আগামী ৫ বছরে আপনি নিজেকে ও আপনার প্রতিষ্ঠানকে কোথায় দেখতে চান?

আমি চাই আগামী ৫ বছরে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পাক। আমি নিজেকে দেখতে চাই একজন গ্লোবাল এডুকেশন লিডার হিসেবে, যিনি নতুন প্রজন্মকে আলোকিত করতে নিবেদিত।

 

 

নতুন প্রজন্মের জন্য আপনি কী বার্তা দিতে চান?

নতুন প্রজন্মের প্রতি আমার বার্তা তোমরা স্বপ্ন দেখো, শেখো, পরিশ্রম করো এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ থেকো। সৎ ও সাহসী হলে পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় তুমি সফল হতে পারবে।

সবশেষে, মানুষের কল্যাণে নিজেকে সপে দেয়ার উদ্দেশ্যেই আমার এই পথচলা। ঢাকা, লন্ডন ও গ্রামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শতাধিক লোকের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষকে উপকার করতে পারার আনন্দ অসীম।

সর্বোপরি জোহরা-কাদির স্কুল এন্ড কলেজের স্লোগান- ‘সুশিক্ষায় আমাদের লক্ষ্য প্রতিষ্ঠিত করে পরিবার, সমাজ, দেশ ও বিশ্বের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয়ে আমার এই পথ চলা।

-ধন্যবাদ

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডেট্রয়েটে মা গ্রোসারী এন্ড সুপার মার্কেট–এর গ্র্যান্ড ওপেনিং, রমজান উপলক্ষে বিগ সেল

কারাগারে গণতন্ত্রের অংশগ্রহণ: শুরু হলো কারাবন্দীদের ভোটগ্রহণ

মিশিগানে সিলেট-৪ আসনের মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হকের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত

এপস্টেইন ফাইল: কেন হঠাৎ বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রে?

শেষ মুহূর্তে অর্থায়ন মিললেও আংশিকভাবে শাটডাউনে যুক্তরাষ্ট্র সরকার

যাত্রা শুরু করল ‘সারা ব্রাইডাল’, জমকালো আয়োজনে উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রে ঘরোয়া ফ্লাইটে রিয়েল আইডি বাধ্যতামূলক, ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

যুক্তরাজ্যের চীন চুক্তিকে ‘বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত’ বললেন ট্রাম্প

পাকিস্তান ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি

জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি প্রেস হিসেবে যোগদান করলেন মেধাবী কর্মকর্তা মো: সালাহ উদ্দিন

১০

মার্কিন ভিসানীতিতে পরিবর্তন: সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয়রা

১১

কমলগঞ্জে খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী জনসভা – প্রধান অতিথি মাওলানা মামুনুল হক

১২

মুক্তহাতে দুঃসাহসিক আরোহণ, নতুন রেকর্ড গড়লেন অ্যালেক্স হনল্ড

১৩

কী এই ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রাম, কেন চালু হচ্ছে?

১৪

খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার নামে রাস্তার নামকরণ অনুমোদন ও পরবর্তীতে বাতিল এবং আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিরা

১৫

সহনশীল পাড়া-মহল্লা: ডিপলি রুটেড গার্ডেনস কৃষ্ণাঙ্গ কৃষকদের জন্য বাধা কমাচ্ছে

১৬

বরফের চাদরে নিউইয়র্ক–মিশিগানসহ বহু অঙ্গরাজ্য, গৃহবন্দি কোটি মানুষ

১৭

নীরবে শরীর ধ্বংস করছে ডায়াবেটিস: লক্ষণ বুঝলেই বিপদ এড়ানো সম্ভব

১৮

শীতে বিপর্যয়: যুক্তরাষ্ট্রে তুষারঝড়ে ১১ জনের প্রাণহানি

১৯

নিলামে ইতিহাস: ৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় বিক্রি ডন ব্র্যাডম্যানের ব্যাগি গ্রিন

২০