অগ্রণী ব্যাংকে থাকা শেখ হাসিনার লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণালংকার জব্দ করেছে এনবিআর ও দুদকের যৌথ টাস্কফোর্স। এছাড়াও মিলেছে বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
এদিকে শেখ হাসিনার অনুপস্থিততে তার লকার ভাঙতে মোট কত জন, কত সময় নিয়েছে সেটি জানিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক। আবার গ্রাহকের অনুপস্থিতিতে তার লকার ভাঙার প্রক্রিয়াও জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের শুরুতেই অগ্রণী ব্যাংকে থাকা শেখ হাসিনার দুটি লকারের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিলো। এবার তা ভাঙা হলো।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বেলা ১২টায় দুদকের তিনজন, এনবিআরের দুইজন ও একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মতিঝিলে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখায় শেখ হাসিনার লকার ভাঙতে যান। তাদেরকে লকার ভাঙতে সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নির্ধারিত তিনজন। এসময় তাদের সঙ্গে ছিলেন অগ্রণী ব্যাংকেরও দুই কর্মকর্তা। দুইজনের সহায়তায় রাত ৯টা ২০ মিনিট পর্যন্ত চলে স্বর্ণ পরিমাপের কাজ। এরপর সেগুলো জব্দ দেখিয়ে সিলগালা করে তা আবার অগ্রণী ব্যাংকে রেখেই রাত ১০টা ২০ মিনিটে ব্যাংকটি ছেড়ে যায় এনবিআর-দুদকের যৌথ টাস্কফোর্স।
প্রতিটি লকারে থাকে দুটি চাবি। একটি থাকে ব্যাংকের কাছে। অন্যটি যিনি লকার ভাড়া নেন তার কাছে। এক্ষেত্রে শেখ হাসিনা যেহেতু পলাতক, তাহলে কোন নিয়মের ভিত্তিতে তার লকার ভাঙা হলো, সে ব্যাখ্যা গণমাধ্যমকে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এদিকে মঙ্গলবারই পূবালী ব্যাংকে শেখ হাসিনার নামে নিবন্ধিত আরেকটি লকার ভাঙা হয়। কিন্তু সেখানে অবশ্য কোনো সম্পদ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন