শীতের শুরুর এই সময়টাতে সর্দি-কাশির প্রকূপ বেড়ে যায়। ইতিমধ্যে শীতের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। হঠাৎ পরিবর্তিত আবহাওয়ায় পারছেন না অনেকেই নিজেকে খাপ খাওয়াতে। তাছাড়া শীতের শুরুতে আবহাওয়া আদ্র হওয়ায় ধুলা বালির পরিমাণ বাড়তে থাকে যা থেকে সর্দি কাশির প্রবণতা দেখা দেয় আর সর্দি কাশি থেকেই দেখা দেয় জ্বর। কারণ এই তাপমাত্রা খাপ খাওয়াতে পারছেন না অনেকেই। এই আকস্মিক জ্বরকে ঋতু পরিবর্তনীয় জ্বর বা সিজনাল জ্বর বলা হয়।
সর্দি, কাশি, গলা ব্যাথা এগুলো পরস্পরের সাথে সম্পৃক্ত। তাই এইসব ঋতু পরিবর্তনীয় জ্বর বা সিজনাল জ্বর থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের শরীর উষ্ণ রাখা অতি জুরুরী। শরীর উষ্ণ রাখতে শীতের জন্য গরম কাপড় পরিধান করা, গরম পানি পান করা এমনকি গরম পানি দিয়ে গোসল করা যেতে পারে। তাছাড়া শীতের সময়ে পুদিনা, আদা, লবঙ্গ, মধু ইত্যাদি দিয়ে চা খেতে পারেন তাতে গলা ব্যাথা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।
অনেক পুষ্টিবিদের পরামর্শ হলো খাদ্য তালিকায় মৌসুমী খাদ্য যোগ করলে তা শরীরের পুষ্টিমান বজায় রাখতে সাহায্য করবে। শীতে যেহেতু শরীর শুষ্ক হওয়ার ঝুকি থাকে তাই শরীরের পুষ্টিমান বজায় রাখাটা অতি আবশ্যকীয়।
সাধারণত, শিশু, বৃদ্ধ, বা যাদের এজমা জনিত রোগ আছে তারাই সবথেকে বেশি ঝুকির মধ্যে থাকেন। আবার কারো অপুষ্টিজনিত রোগ থাকলে তারাও এই ঝুকির বাহিরে নয়। কারণ শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি না থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার কারণে সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
ঋতু পরিবর্তনীয় জ্বর বা সিজনাল জ্বরে সময় কমলার খাওয়া যেতে পারে। কমলার রস জ্বরের উপর ভালো কাজ করে। জ্বরের পাশাপাশি সর্দি থেকেও আমাদের রক্ষা করবে। রোগ প্রতিরোধ করার জন্য ভিটামিন সি জাতীয় খাবার এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে। মোটকথা আপনাকে খাবারেও ভিটামিনের সামঞ্জম্যতা বজায় রাখতে হবে।
মন্তব্য করুন