নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের অভিবাসী বিষয়ক দপ্তর (গধুড়ৎ’ং ঙভভরপব ড়ভ ওসসরমৎধহঃ অভভধরৎং ু গঙওঅ) শহরের অভিবাসী জনগোষ্ঠী ও তাদের জন্য নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে একটি নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সোমবার দপ্তরের কমিশনার ফাইজা এন. আলী এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
প্রতিবেদনটিতে নিউইয়র্ক সিটির অভিবাসীদের জনসংখ্যাগত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এবং অভিবাসী সম্প্রদায়কে সহায়তা করতে এমওআইএ-এর বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রমের প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি মেয়র জোহরান কে. মামদানির প্রশাসনের অধীনে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার (ঊপড়হড়সরপ ঔঁংঃরপব) অগ্রাধিকারের আওতায় দপ্তরের নতুন লক্ষ্য ও পরিকল্পনাও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, “নিউইয়র্ক সিটিতে ৩০ লাখের বেশি অভিবাসী বাস করেন। এই প্রতিবেদনটি আমাদের অভিবাসী সম্প্রদায়কে সহায়তা করার জন্য চলমান কাজের প্রতিফলন—যার মধ্যে রয়েছে এলাকাভিত্তিক আইনি সহায়তা নেটওয়ার্ক, বহুভাষিক প্রচারণা, শ্রমিক সুরক্ষা উদ্যোগ, প্রতারণা প্রতিরোধ শিক্ষা, ইংরেজি ভাষা শিক্ষা এবং বিভিন্ন সেবার সঙ্গে সংযোগ তৈরির ব্যবস্থা।”
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমওআইএ অভিবাসী নিউইয়র্কবাসীদের ক্ষমতায়ন এবং শহরের ‘সাংকচুয়ারি সিটি’ নীতিমালা রক্ষায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে অভিবাসীদের সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, শহরের অভিবাসী জনসংখ্যার তথ্য-উপাত্ত এবং ২০২৫ সালে এমওআইএ পরিচালিত বিভিন্ন কর্মসূচির কার্যক্রম তুলে ধরা হয়েছে।
নতুন কমিশনার ফাইজা এন. আলীর নেতৃত্বে এমওআইএ চারটি প্রধান অগ্রাধিকারে কাজ করবে:
১. অভিবাসীদের অধিকার ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া রক্ষা এবং সাংকচুয়ারি আইন সমুন্নত রাখা
২. সমন্বিত ও টেকসই সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা
৩. জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, শ্রমিক সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার করা
৪. ভয় কমিয়ে জনআস্থা বৃদ্ধি করা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এমওআইএ প্রায় ৩৭ হাজার অভিবাসী নিউইয়র্কবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছে। দপ্তরটি ৬৪টি ভাষায় ১০ হাজারের বেশি টেলিফোনিক অনুবাদ সেবা দিয়েছে। এমওআইএর ইমিগ্র্যান্ট হটলাইনে ২৫ হাজারের বেশি কল এসেছে এবং প্রায় ১১ হাজার অভিবাসীকে আইনি সহায়তার জন্য বিস্তারিত স্ক্রিনিং করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন