জার্মানিতে শরণার্থীর সংখ্যা বেড়ে চলায় দেশটির পৌর স্তরের প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে।
শরণার্থীর ঢল সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো সম্মিলিতভাবে সংকট সামলাতে ব্যর্থ হচ্ছে। পারস্পরিক সংহতির ভিত্তিতে আগত শরণার্থীদের বণ্টনের ক্ষেত্রেও কোনো ঐকমত্য অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সেই সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে জার্মানির মতো দেশ শরণার্থীর ঢল সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। বিষয়টি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। জার্মানির ফেডারেল সরকারের শরণার্থীসংক্রান্ত নীতি ও সিদ্ধান্তের প্রভাব আর মানতে চাইছে না রাজ্য সরকারগুলো।
জার্মানির চ্যান্সেলর ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এক বৈঠকে দলমত-নির্বিশেষে ফেডারেল ও রাজ্য সরকারের মধ্যে চরম মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়। এমনকি জার্মানির জোট সরকারের প্রধান শরিক দল এসপিডির মুখ্যমন্ত্রীরাও চ্যান্সেলর শলৎজের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বচসা করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত আপস মীমাংসার প্রশ্নে ঐকমত্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।
দীর্ঘ বৈঠকের পর নতিস্বীকার করে ফেডারেল সরকার চলতি বছর ১৬টি রাজ্যের জন্য বাড়তি ১০০ কোটি ইউরো মঞ্জুর করেছে। সেই সঙ্গে ফেডারেল ও রাজ্য সরকারগুলো শরণার্থীসংক্রান্ত নীতির কাঠামো সংস্কারের লক্ষ্যে ধাপে ধাপে কিছু পদক্ষেপ কার্যকর করতে প্রক্রিয়া গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ফেডারেল পুলিশ বাহিনীর হাতে কিছু বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিয়ে বিচার ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মধ্যে তথ্য বিনিময় আরও সহজ করা হবে৷ তারপর আগামী নভেম্বর মাসে চূড়ান্ত সমাধানসূত্র অর্জনের চেষ্টা চালানো হবে।
মন্তব্য করুন