কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া ২০ বস্তা টাকা এখনো গণনা চলছে। আজ (৭ জানুয়ারী) সকাল ৯টায় গণনা শুরু হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এ টি এম ফরহাদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
এদিকে পাগলা মসজিদ থেকে তিন মাস ৬ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয় এবং ৮টি দানবাক্স খুলে মোট ২০ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। গত বছরের ১ অক্টোবর এ মসজিদের দানবাক্স খুলে মোট ১৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল।
কিশোরগঞ্জ শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে ১০ শতাংশ জমির ওপর গড়ে উঠেছিল পাগলা মসজিদ।
জানা যায় মসজিদের দান থেকে পাওয়া এসব অর্থ সংশ্লিষ্ট মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়। এছাড়া করোনাকালে রোগীদের সেবায় অনুদান দেওয়া হয়েছিল।
এ মসজিদে মোট ৮টি লোহার দানবাক্স রয়েছে। প্রতি দানবাক্স ৩ মাস পর পর বাক্স খোলা হয়। ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদে আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ১১৫ কোটি টাকা। সেখানে অন্তত ৬০ হাজার মানুষ একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন