জেমা পলিটস তার মায়ের পাশে উপরে দালানে বসে রয়েছেন। পলিটসের মেয়ে খেলছে উঠানের ঘাসে। একটি পুরাতন ছবি হাতে ধরে পলিটস বলেন, “আমার মা মারা যাওয়ার পর আমি যখন এই বাড়িতে ফিরে আসি, তখন আমি সিদ্ধান্ত নিই এই বাড়িটি ধরে রাখব।পলিটসের পরিবার ১৯৭০ সালের শেষের দিকে ডেট্রয়েটে আসে এবং তার মা ১৯৮৮ সালে বাড়িটি কেনেন। পরিবারটি এখানেই গড়ে উঠে এবং এই বাড়ির সঙ্গে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে।
পলিটস বলেন, “আমরা এখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাস করছি। এটা কেবল একটা বাড়ি নয়, এটা আমাদের ইতিহাস।” রেজিলিয়েন্স হাব একটি নতুন প্রকল্প, যা ডেট্রয়েটের ঐতিহাসিক বাড়িগুলো রক্ষা করার জন্য তৈরি হয়েছে। এটি একটি অংশ ডেট্রয়েট সিটি প্ল্যানের, যাতে স্থানীয়দের বাড়ি রক্ষায় সহায়তা করা হয়। এই উদ্যোগটি নিউ মিশিগান মিডিয়া, মডেল ডি মিডিয়া, এবং ক্রেসজি ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে। রেজিলিয়েন্স হাবের মাধ্যমে স্থানীয় পরিবারগুলো তাদের বাড়ির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছে। এই প্রকল্পটি সিটি অফিস, স্থানীয় অলাভজনক সংস্থা এবং সম্প্রদায়িক নেতাদের একত্রিত করছে।
ডেট্রয়েটের অনেক পরিবার যারা বছরের পর বছর ধরে তাদের বাড়িতে বসবাস করছেন, তারা এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পাচ্ছেন। এইচডিআইডির ডিরেক্টর, মার্টিন বলেন, “আমরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের পুরাতন ঘরগুলোর জীবন দীর্ঘায়িত করতে চাই।” ডেট্রয়েটের কিছু অংশে এই প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যেই ২,০০০ পরিবার সহায়তা পেয়েছে। তৈরি করতে সাহায্য করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে ডেট্রয়েটের অবস্থানের স্থায়িত্ব বাড়াবে। “আমার বাড়ি, আমার ইতিহাস, আমার পরিচয়”—পলিটস বলেন। “আমি চাই আমার সন্তানরা জানুক তাদের শিকড় কোথায়।” এই ধরনের বাড়ির অধিকার সংরক্ষণ করা মানে হচ্ছে কেবল ভবন টিকিয়ে রাখা নয়, বরং ঐতিহ্য, পরিবার এবং সম্প্রদায়কে টিকিয়ে রাখা।

মন্তব্য করুন