ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হজ অনুবিভাগ) ড. মো. মঞ্জুরুল হক বলেন দ্বিতীয় দফায় ১৮ জানুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী সাড়া না মেলায় আবারো বাড়ানো হয়েছে মেয়াদ। তবে কত দিন থাকবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময় এখনো জানাযায়নি। তবে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন আরও এক মাস বাড়তে পারে নিবন্ধনের সময়। এই বছর বাংলাদেশ এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন মানুষ এইবছর হজ করতে পারবেন। কিন্তু এই বছর এখনপর্যন্ত মাত্র ৩৬ হাজার ৪৩৪ জন নিবন্ধন করেছেন ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই হিসেবে ৯০ হাজার ৭৬৪টি সিট ফখা রয়েছে এখনো।
নিবন্ধনের পরিমান কম হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ধর্র্ম মন্ত্রলায়ের এক কর্মকর্তা বলেন গত বছরের তুলনায় এইবছর অনেক আগেই শুরু হয়েছে। সৌদি সরকার হজ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনায় হজ চুক্তির আগেই নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হচ্ছে। যার ফলে নিবন্ধেনের তথ্য অনেকে জানেনও না। গত বছর শুরু হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসে কিন্তু এইবার নভেম্বর মাসে শুরু করতে হচ্ছে । এছাড়াও নির্বাচন ও ছিল একটি বড় কারণ। এখন আশা করা হচ্ছে এর সংখ্যা বাড়বে।
অন্যদিকে, হজ এজেন্সিগুলোর মালিকরা বলছেন দেশের টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা হলো এর অন্যতম কারণ। মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো না। তার পরেও আশা করা যাচ্ছে হজে যেতে ইচ্ছুকরা আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করবেন।
এদিকে হজ প্যাকেজের খরচ কমিয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আশরাফ-উজ জামান। এ ব্যাপারে তিনি বলেন সরকারের নির্ধারিত সাধারণ হজ প্যাকেজ ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ আর বিশেষ প্যাকেজ ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা। যা প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত এবং একটি ফরজ ইবাদতের এরকম মূল্য নির্ধারণ করা বাধা সৃষ্টির নামান্তর।
মন্তব্য করুন