জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দাসত্ব ও নিপীড়ন নির্মূলের জন্য জোরদার বৈশ্বিক উদ্দোগ নেয়ার আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.খলিলুর রহমান আজ বুধবার ২৫মার্চ-২০২৬ইং) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আন্তর্জাতিক দাসত্ব ও ট্রান্স আটলান্টিক দাস বানিজ্যের শিকারদের স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় এ আহবান জানান। তিনি দাসত্ব ও আটলান্টিক দাস বানিজ্যের লক্ষ লক্ষ শিকারদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সেই সাথে স্বাধীনতা ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করা সাহসী মানুষের অদম্য মানসিকতারও প্রশংসা করেন।
ড. রহমান জোর দিয়ে বলেন, ট্রান্স আটলান্টিক দাস বানিজ্য মানব জাতির জন্য এক স্থায়ী দাগ রেখে গেছে। দাসত্ব,বর্ণবাদ,গণহত্যা ও সকল প্রকার নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রয়েছে অটল অবস্থানের কথাও তিনি পুণ:ব্যক্ত করেন।
দেশের সংবিধান, সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশ, বর্ণবাদ ও বৈষম্য প্রত্যাখান করে এবং শোষিত জনগণের প্রতি দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করেন।
১৯২৬ সালের দাসত্ব সংক্রান্ত কনভেনশন এবং প্রায় ৮০ বছর আগে গৃহিত মানবাধিকার সনদ দাসত্বকে গুরুতর মানবাধিকার লংঘন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, যদিও দাসত্ব আনুষ্ঠানিক ভাবে বিলুপ্ত হয়েছে,তারপরও আজ পর্যন্ত তার প্রভাব সমাজ,অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামোয় বিদ্যমান।
তিনি মানব পাচার প্রতিরোধ, ডিজিটাল ফরেনসিক সমন্বয় এবং দাসত্ব ও দাসত্ব দাস বানিজ্যের মানব ও সভ্যতাগত ক্ষতির বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা ব্যবস্থা ও সংলাপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একত্রিত হয়ে এমন একটি বিশ্ব গড়ার আহবান জানান,যেখানে দাসত্ব,বৈষম্য ও অন্যায়ের কোন স্থান থাকবে না।সেই সাথে মানব মর্যদা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন