টিনএজারদের জন্য এআই ক্যারেক্টার ব্যবহারে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিচ্ছে মেটা
ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন: ৫০ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ
ডেটা সেন্টারের বাড়তি চাহিদায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বারস্থ মেটা
গ্রাফিক ডিজাইন স্কিল উন্নত করার ১০টি এক্সট্রিম টিপস
খালেদা জিয়ার তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোগের প্রশংসায়  মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী কলিন পাওয়েল
অতি-বুদ্ধিমান এআই আসতে বিলম্ব, বলছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) চূড়ান্ত বিকাশ মানবসভ্যতার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তবে এআইয়ের অতি বুদ্ধিমান বা ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ পর্যায়ে পৌঁছাতে আগের ধারণার চেয়ে আরও বেশি সময় লাগবে বলে নতুন করে জানিয়েছেন শীর্ষ এআই গবেষক ড্যানিয়েল কোকোটাজলো।       মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের সাবেক এই কর্মী আগে ধারণা দিয়েছিলেন, অনিয়ন্ত্রিত এআই উন্নয়নের ফলে ২০২৭ সালের মধ্যেই এমন এক স্বয়ংক্রিয় ও অতিবুদ্ধিমান সিস্টেম তৈরি হতে পারে, যা মানবজাতির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করবে। ‘এআই ২০২৭’ শীর্ষক ওই সময়সীমা ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্কও সৃষ্টি হয়।      তবে সাম্প্রতিক হালনাগাদ পূর্বাভাসে কোকোটাজলো ও তাঁর সহ-লেখকেরা সময়সীমা সংশোধন করেছেন তাঁদের মতে, এআই সিস্টেমের স্বয়ংক্রিয় কোডিং সক্ষমতা এবং নিজের সক্ষমতা নিজেই বাড়িয়ে তোলার পর্যায় অর্জন করতে  আরও সময় লাগবে। নতুন বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৭ সালের পরিবর্তে ২০৩০-এর দশকের শুরুর দিকে সুপার ইন্টেলিজেন্সের আবির্ভাবের সম্ভাবনা বেশি, যার একটি সম্ভাব্য সময় হিসেবে ২০৩৪ সালকে সামনে আনা হয়েছে।      এই পূর্বাভাস যেমন কিছু মহলে সমর্থন পেয়েছে, তেমনি তীব্র সমালোচনাও তৈরি করেছে। গত মে মাসে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ বিষয়ে উদ্বেগের কথা বলেন। অন্যদিকে নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির নিউরোসায়েন্স  বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক গ্যারি মার্কাস এ তত্ত্বকে ‘কাল্পনিক কাজ’ বলে মন্তব্য করেন।      এআই গবেষণায় মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার সমপর্যায়ের প্রযুক্তি—‘আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স’ (এজিআই)—কবে বাস্তবে আসবে, তা নির্ধারণ এখন এআই নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর নিয়মিত আলোচনার  বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালে চ্যাটজিপিটি বাজারে আসার পর এই সময়সীমা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, আগামী কয়েক দশক বা এমনকি কয়েক বছরের মধ্যেই এজিআই দেখা দিতে পারে।     তবে কোকোটাজলো ও তাঁর দলের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে এজিআইয়ের দ্রুত আবির্ভাব নিয়ে সংশয়ের ইঙ্গিত মিলছে ইন্টারন্যাশনাল এআই সেফটি রিপোর্টের অন্যতম লেখক ও এআই ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ম্যালকম মারে বলেন, গত এক বছরে অনেক গবেষকই তাঁদের পূর্বাভাস পিছিয়ে দিয়েছেন। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, এআইয়ের কর্মক্ষমতা অনেক সময়ই প্রত্যাশার তুলনায় বেশি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।     

আরও