প্রচ্ছদ

সর্ববৃহৎ বরাদ্দ পেয়ে উচ্ছ্বসিত মেয়র, ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রীকে

২৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:১৫

banglashangbad.com

সরকার সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) উন্নয়নে যে ১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সেই বরাদ্দকে সিসিকের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রকল্পের বরাদ্দ বলে জানিয়েছে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনীতি পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১ হাজার ১৫৯ দশমিক ২১ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছে যেখানে ‘সিলেট সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

রাজধানীর শের-এ-বাংলা নগর এলাকায় এনইসি সম্মেলন কক্ষে চলতি অর্থ বছরে একনেকের ১৪তম বৈঠকটির সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

একনেকের এই বৈঠকে সিলেট সিটি করপোরেশনের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বরাদ্দ পেয়ে বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি সিলেট নগরীর উন্নয়নে বৃহৎ এই প্রকল্প পাস হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে ধন্যবাদ জানান।

মেয়র আরিফ বলেন, ‘সিলেট সিটি করপোরেশনের ইতিহাসে এতো বড় প্রকল্প এর আগে অনুমোদন পায়নি। একনেকে এই প্রকল্প পাসের জন্য সিলেট নগরবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একইসাথে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

আরিফ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সিলেটের উন্নয়নের ব্যাপারে সবসময়ই সচেষ্ট। সিলেট নগরীর উন্নয়নে আমরা যে প্রকল্প প্রস্তাবনা পাঠিয়েছিলাম, তা কোনো কাটছাঁট না করেই পাস করেছেন তিনি।’

এক হাজার ২২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে বলে জানান মেয়র।

মেয়র বলেন, ‘আমরা সততা, নিষ্ঠা ও দৃঢ়তার সাথে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবো। সিসিকের কাউন্সিলর, কর্মকর্তাসহ সবাই ঘোষণা দিয়েছেন, প্রকল্প পাস করে আমাদেরকে যেভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে, আমরাও এর মর্যাদা রাখবো। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। সমন্বিত প্রচেষ্টায় নগরীকে এগিয়ে নিতে চাই আমরা। নগরীর স্বার্থ দেখা শুধু মেয়রের কাজ নয়, এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’

বৃহৎ এই প্রকল্পের কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কাজ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে হলুদ সাইনবোর্ডে প্রকল্পের সব তথ্য, ঠিকাদারের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন মেয়র। এছাড়া প্রকল্পটি ৪ বছর মেয়াদে শেষ করতে হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরীসহ কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।



এ সংবাদটি 364 বার পড়া হয়েছে.
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আমাদের সাথে কানেক্টেড থাকুন

আমাদের মোবাইল এপ্পসটি ডাউনলোড করুন