প্রচ্ছদ

করোনার খবর শুনে মাস্কের দোকানে ভিড়

০৮ মার্চ ২০২০, ২১:০৫

banglashangbad.com

ইতোমধ্যে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে একজন নারী ও দুজন পুরুষ। এদের মধ্যে দুজন ইতালিফেরত। এদের বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। এ তিনজন ছাড়াও আরও দুজনকে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সম্মেলন কক্ষে করোনাভাইরাস সম্পর্কিত নিয়মিত প্রেসব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে যেন মাস্ক কেনার হিড়িক পড়ে যায়। ফার্মেসি, স্টেশনারি দোকান এমনকি ফুটপাতের দোকানেও মাস্ক কিনতে এক ধরনের মাতামাতি সৃষ্টি হয়। হঠাৎ মাস্কের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় অতিরিক্ত দামে এসব মাস্ক বিক্রি করছেন কিছু অসাধু দোকানি। অনেকটা আতঙ্কের কারণে বাধ্য হয়ে বেশি দামেই এসব মাস্ক কিনে নিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

যদিও প্রেস ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে রেখে লক্ষণ-উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। তারা বর্তমানে ভালো আছেন। এ মুহূর্তেই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। রাস্তাঘাটে চলাফেরায় সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন তিনি।

তবে সারাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাজধানীর বাড্ডায় ফুটপাতে মাস্ক বিক্রি করা একটি দোকানে দেখা যায়, মাস্ক কিনতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় করছেন। সবাই মাস্ক কিনছেন নিজের জন্য এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্যও।

সাব্বির আহমেদ নামে একজন ক্রেতা বলেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এমন খবর শোনার পর নিরাপদে থাকতে মাস্ক কিনে নিচ্ছি। যদিও এই সুযোগে বেশি দামে তারা বিক্রি করছে। চায়না মাস্ক ১০০ থেকে ১২০ টাকা আর বাংলাদেশি মাস্ক ৫০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি করছে তারা। বলতে গেলে আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দাম।